|

‘ইয়াবা সম্রাট’ আমিন হুদার ৭৯ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
15 Jul 2012 01:54:01 PM Sunday BdST
মবিনুল ইসলাম, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: ‘ইয়াবাসম্রাট’ আমিন হুদা ও তার সহযোগী আহসানুল হক ওরফে হাসানকে মাদকের ২টি পৃথক মামলায় ৭৯ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোতাহার হোসেন এ রায় প্রদান করেন।
এছাড়া আসামিদের উভয়কেই সশ্রম দণ্ডের অতিরিক্ত ৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ বছর অতিরিক্ত কারাদণ্ড প্রদানেরও নির্দেশ দেন বিচারক। তবে ২টি মামলায় একই সঙ্গে রায় হওয়ায় একটি মামলায় সর্বোচ্চ ১৪ বছর করে মোট ২৮ বছর দণ্ড ভোগ করতে হবে প্রত্যেককে।
দণ্ডিতদের মোট ২৮ বছর দণ্ড ভোগের বিষয়টি বাংলানিউজকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এসএম রফিকুল ইসলাম। তবে পিপির এ মতামতের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন আসামির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজল। তিনি একসঙ্গে রায় হওয়ায় আসামিদেরকে সর্বোচ্চ ১৪ বছর করে কারদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এদিকে, বাংলাদেশের ইতিহাসে মাদক মামলায় এটি সর্বোচ্চ শাস্তির রায় বলে জানিয়েছেনিআইনজীবীরা। সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এসএম রফিকুল ইসলাম সরকার বাংলানিউজকে জানান, এ রায় দৃষ্টান্তমূলক। দেশে মাদক মামলায় এটি সর্বোচ্চ শাস্তির নজির।
উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোতাহার হোসেন ইয়াবা ব্যবসায়ী আমিন হুদা ও তার সহকারী আহসানুল হক ওরফে হাসানকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
রোববার রায় উপলক্ষে আমিন হুদা ও তার সহযোগীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
স্পেশাল পিপি রফিকুল ইসলাম জানান, দুটি মামলার একটিতে ৩০ জন সাক্ষির মধ্যে ২৫ জন ও অপর মামলার ২৪ জন সাক্ষির মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মামলাগুলোতে আমিন হুদা ও তার সহযোগী হাসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন কারাভোগের পর ২০০৯ সালের শেষের দিকে মুক্তি পান আমিন হুদা। গত ১ জুলাই মামলার যুক্তিতর্ক শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে নেওয়া হয়।
তবে তার কারামুক্তির আগেই ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসের দিকে নিম্ন আদালতে মামলাগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। এরপর চলতি বছরের প্রথম দিকে হাইকোর্ট মামলাগুলো থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলে ফের শুরু হয় মামলার কার্যক্রম।
প্রসঙ্গত, গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ২৫ অক্টোবর আমিন হুদা ও তার সহযোগী আহসানুল হক হাসানকে গ্রেফতার করে র্যাব। ওইদিন তাদের হেফাজত থেকে ৪২ ধরনের ১৩৮ বোতল বিদেশি মদ, ১ লাখ ৩০ হাজার আইস পিল (ইয়াবা’র বিকল্প), ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, নিষিদ্ধ ঔষধ তৈরির সরঞ্জাম, ফেনসিডিল, বিভিন্ন দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, ১২ টি মোবাইল ফোন ইত্যাদি উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, দণ্ডপ্রাপ্ত আমিন হুদা আত্মীয়তা সূত্রে ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই-এর ভাগ্নে।
বাংলাদেশ সময়: ঘণ্টা, ১৫ জুলাই, ২০১২ এমআই/সম্পাদনা: আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর; জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটরjewel_mazhar@yahoo.com
মিডিয়া হাউজ, প্লট#৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক#ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
নিউজরুম মোবাইল ফোন: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯, ০১৭২৯০৭৭৩৩০, ০১৭২৯০৭৬৯৫৪
ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১-২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, news@banglanews24.com (সেন্ট্রালডেস্ক)
corr.bn24@gmail.com (কান্ট্রিডেস্ক), editor@banglanews24.com (এডিটর-ইন-চিফ)
বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান কপিরাইট © 2013 banglanews24.com সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত
|
|