![]() চট্টগ্রামে শিল্পমন্ত্রী‘দেশকে হট বেড বানাতে চায় কিছু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল’05 Oct 2012 05:17:47 PM Friday BdST
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট চট্টগ্রাম: কিছু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কায়েমি স্বার্থবাদী মহল বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়ে বাংলাদেশকে বিশেষ করে দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ পর্যন্ত অঞ্চলকে ‘হট বেড’ বানাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী দীলিপ বড়ুয়া। মন্ত্রী বলেন, রামু-উখিয়া ও পটিয়ায় হামলার উদ্দেশ্য হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করা, সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা এবং দেশে অরাজক অবস্থা সৃষ্টি করা। আগামী দিনে এর চেয়ে আরও বড় ঘটনার শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা বিষধর সাপের মতো, অঘটন ঘটন পটিয়সী। যারা ৬৪ জেলায় বোমা হামলা করেছে, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে তারাই এর সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার বিকেল ৪টা ১৫মিনিটে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিল্পমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোছলেম উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। রামুর স্থাপনা শিল্পের প্রাচীন ঐতিহ্য, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, নান্দনিক সৌন্দর্য ও কারুকাজ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শনিবার শুভ মধুপূর্ণিমার দিন দেশে খুবই অপ্রত্যাশিত ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। যা কোনো দিন আমাদের চিন্তায়ও আসেনি। নিমিষেই ধ্বংস হয়ে গেছে অনেক বছরের পুরোনো প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ, তালপাতার পুঁথি ইত্যাদি। রোববার রামুর ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের মনে হয়েছে এ ঘটনা সুচিন্তিত ও পূর্বপরিকল্পিত ভাবে করা হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা মাস্টারপ্ল্যান করে ছিল আগেই। সুসংগঠিতভাবে এসে নিমিষে পুড়িয়ে দিয়েছে। নেতারা এসেছে হোন্ডায় চড়ে, কর্মীরা ছিল ট্রাকে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, হামলার সময় গান পাউডার, পেট্রল ও বড় বড় কিরিচ ব্যবহার করা হয়েছিল। গান-পাউডার তো সাধারণভাবে পাওয়া যায় না। মন্ত্রী বলেন, আমাদের ধারণা, প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শনও তারা পুড়ে ছাই করতে চেয়েছে। এ ঘটনার সূত্রপাতের সঙ্গে সাতক্ষীরা ও রাঙামাটির ঘটনার মিল পাওয়া যায়। তুচ্ছ ঘটনা থেকেই বড় ঘটনার জন্ম দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে বীর বাহাদুর এমপিসহ পটিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যে বীভৎসতা দেখেছি তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। প্রকৃত দোষীদের অবশ্যই খুঁজে বের করা হবে। সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, তদন্ত চলছে। সরকার খুব বেশি এলার্ট থাকবে। সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা আছে। ঘটনা তো গোপন থাকবে না, প্রকাশিত হবেই। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, একটি ঘটনা ঘটার পর অনেকে অনেক ভাবে কেমোফ্লেজ করে। এর মধ্যে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কেউ ফায়দা লোটে। দোষীদের চিহ্নিত করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অদৃশ্য শক্তি অপারেট করেছে। মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তারা অপকর্ম থেকে নিবৃত হবে না এটা নিশ্চিত। মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশের একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে স্বীকার করে না। যারা একাত্তরে অপকর্মের জন্য কোনো দিন ক্ষমা চায়নি। রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্যই তারা এ ধরনের অপকর্ম ঘটিয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই যুদ্ধাপরাধীদের প্রাথমিক বিচারকাজ শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশ সময়: ১৭১৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ০৫, ২০১২ এআরএম, সম্পাদনা: তপন চক্রবর্তী, ব্যুরো এডিটর বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন
মিডিয়া হাউজ, প্লট#৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক#ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
নিউজরুম মোবাইল ফোন: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯, ০১৭২৯০৭৭৩৩০, ০১৭২৯০৭৬৯৫৪ ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১-২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬ ইমেইল: news.bn24@gmail.com, news@banglanews24.com (সেন্ট্রালডেস্ক) corr.bn24@gmail.com (কান্ট্রিডেস্ক), editor@banglanews24.com (এডিটর-ইন-চিফ) বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান কপিরাইট © 2013 banglanews24.com সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত |
|||

