banglanews24.com Logo

লাঙ্গলবন্দে অষ্টমী স্নান : আমব্রেলা প্রজেক্টের ফাইল গায়েব!

28 Mar 2012   07:12:47 PM   Wednesday BdST

তানভীর হোসেন, জেলা প্রতিনিধি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জ : বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম তীর্থস্থান নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দের ব্রহ্মপুত্র নদে স্বয়ংসম্পূর্ণ তীর্থক্ষেত্র স্থাপন ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রকল্প ‘আমব্রেলা প্রজেক্ট’-এর ফাইল মন্ত্রণালয় থেকে গায়েব হয়ে গেছে।

বুধবার বিকেলে বাংলানিউজকে প্রকল্পের ফাইল গায়েবের এ তথ্য জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের এমপি ও জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসিম ওসমান বলেছেন, ‘পুর‍ানো ফাইলের আশা বাদ দিয়ে এখন নতুন করে প্রজেক্টের ফাইল তৈরি করা হচ্ছে। অচিরেই এ সম্পর্কিত একটি নতুন প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে।’

তিনি জানান, ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সরকারের আমলে ওই বছরের ৭ মে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে লাঙ্গলবন্দে ‘আমব্রেলা প্রজেক্ট’ নামে স্বয়ংসম্পূর্ণ তীর্থক্ষেত্র স্থাপন ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়।

এদিকে, ফাইল গায়েবের খবরে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। তারা বলেছেন, ২০০৭ সালে সরকারের গৃহীত প্রকল্প এতদিনে বাস্তবায়িত হলে লাঙ্গলবন্দে অষ্টমী স্নানে কোনো ধরনের দুর্ভোগ আর বিড়ম্বনার শিকার হতে হতো না হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের।

আগামী ৩০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া স্নান চলবে পরদিন ৩১ মার্চ পর্যন্ত। স্নানের কারণে বিএনপি তাদের ২৯ মার্চের পূর্ব ঘোষিত হরতাল ইতোমধ্যে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

ভোগান্তির নাম অষ্টমী স্নান

চৈত্র মাসের অষ্টম তিথিতে পবিত্র নদ ব্রহ্মপুত্রে গোসল করে পাপ থেকে মুক্তি লাভের আশায় প্রতিবছর বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ এখানে আসেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তীর্থক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে সরকারি উদ্যোগে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। তীর্থক্ষেত্রেও ভক্তদের জন্য থাকে স্বাচ্ছন্দ্যে উপাসনা করার ব্যবস্থা। কিন্তু লাঙ্গলবন্দ তীর্থক্ষেত্র যেন ভক্তদের ভোগান্তির আরেক নাম।

বিপুল লোকের তুলনায় স্নানের ঘাটগুলোতে আসার মাত্র একটি সরু রাস্তা। টয়লেট, বিশুদ্ধ ও নিরাপদ খাবার পানির অভাব, মানুষের তুলনায় স্নানঘাটের স্বল্পতা, গোসলের পর ভেজা কাপড় পাল্টানোর পর্যাপ্ত স্থায়ী জায়গা ও বিশ্রামের জায়গার অভাব, লাঙ্গলবন্দের বিপুল দেবোত্তর সম্পত্তি বেদখল, ব্রক্ষপুত্র নদ বেদখল ও নাব্য কমে যাওয়া, নদে কচুরিপানা-আগাছা বৃদ্ধিসহ সমস্যার যেন শেষ নেই লাঙ্গলবন্দে।

যে কারণে আমব্রেলা প্রজেক্ট গ্রহণ

লাঙ্গলবন্দে অষ্টমী স্নানে আসা পুণ্যার্থীদের এসব দুর্ভোগের দিক বিবেচনা করে ২০০৭ সালের ৭ মে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় লাঙ্গলবন্দে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ তীর্থক্ষেত্র স্থাপন ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সে সময়ের ধর্ম মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের মধ্যে ছিল- স্নানকাজ সম্পন্ন করার সুব্যবস্থা করা, এ স্থানকে আকর্ষণীয় করে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পরিকল্পিত ছায়াবীথি গড়ে তোলা, স্নান উৎসব এলাকার প্রায় ৩ কিলোমিটার স্থানে রাস্তার প্রশস্ততা বাড়ানো, ব্রহ্মপুত্র নদ পুনর্খনন, স্নান ঘাট সংস্কার, গোসলের পরে কাপড় পাল্টানোর জন্য স্থায়ী জায়গা তৈরি, ঘাটগুলোতে ছাউনি তৈরি, জরাজীর্ণ মন্দিরগুলো সংস্কার, পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ব্রহ্মপুত্র নদের দু’তীরে গাইড ওয়াল নির্মাণ, পিকনিক স্পট, শিশুপার্ক, মোটেল, তীর্থযাত্রী নিবাস, একাধিক সংযোগ সড়ক নির্মাণ, সংলগ্ন খাল খনন, পর্যাপ্ত শৌচাগার নির্মাণ, খাবার পানির জন্য গভীর নলকূপ বসানো।

প্রায় ৪৬ একর জমিতে ‘আমব্রেলা প্রজেক্ট’ নামের এ প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭০ কোটি টাকা।

অতঃপর প্রজেক্টের ফাইল গায়েব!

৩০ মার্চ লাঙ্গলবন্দের মহাঅষ্টমী স্লান উপলক্ষে প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে বুধবার বিকেলে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়েছিল স্থানীয় এমপি নাসিম ওসমানের সঙ্গে।

এ সময় ‘আমব্রেলা প্রজেক্ট’ নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বাংলানিউজকে জানান, মন্ত্রণালয়ে গৃহীত আমব্রেলা প্রজেক্টের যে ফাইল ছিল, সেটা গায়েব হয়ে গেছে। এখন সেখানে আর কোনো ফাইল নেই। প্রকল্পের ফাইল না থাকার কারণেই এতদিনেও প্রজেক্টের কোনো অগ্রগতি হয়নি। গত এক বছর ধরে প্রজেক্টের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়- এ সম্পর্কিত ফাইল তাদের কাছে নেই।

নাসিম ওসমান বলেন, ‘লাঙ্গলবন্দে আধুনিক একটি তীর্থস্থান ও পর্যটন নগরী করে তুলতে নতুন করে প্রকল্প তৈরি করে তা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে। আশা করি, দ্রুত এ বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি কমান্ডার গোপীনাথ দাস বাংলানিউজকে জানান, মন্ত্রণালয় থেকে ফাইল গায়েব হয়ে যাওয়াটা দুঃখজনক ব্যাপার।

এ বছরের স্নান সময়

বাংলাদেশ হিন্দুকল্যাণ সংস্থার সভাপতি রণজিৎ মোদক বাংলানিউজকে জানান, তিথি অনুযায়ী শুক্রবার ৩০ মার্চ সকাল ৮টা ১৯ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে লগ্ন শুরু হবে। শেষ হবে পরদিন ৩১ মার্চ শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে।

রণজিৎ মোদক আরো জানান, বন্দর উপজেলা প্রশাসন এবার প্রথম দিকে ১২টি ঘাটে স্নানের আয়োজন করেছিল। কিন্তু, পরে ঘাটের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪টি।

ঘাটগুলো হচ্ছে- ললিত সাধুরঘাট, অন্নপূর্ণাঘাট, রাজঘাট, কালীগঞ্জ ঘাট, মাকুঁড়ি সাধুর ঘাট, মহাত্মা গান্ধী ঘাট, বড় দেবেশ্বরী ঘাট, জয়কালী ঘাট, রক্ষাকালী ঘাট, প্রেমতলা ঘাট, চর শ্রীরাম ঘাট, সাবদি ঘাট, বাসনকালী ও জগদ্বন্ধু ঘাট।

রণজিৎ মোদকের অভিযোগ, বেশকিছু মন্দির ও ঘাটের জায়গা বেদখল হয়ে আছে। লাঙ্গলবন্দ তীর্থক্ষেত্রের ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্রিটিশ আমলে বেশ কয়েকজন জমিদার বিপুল ভূসম্পত্তি দান করে যান। কিন্তু, দিন দিন এসব সম্পত্তির অনেকটাই বেদখল হয়ে যাওয়ায় মন্দিরের জায়গা সংকীর্ণ হয়ে গেছে।

তিনি সম্পত্তি উদ্ধার এবং লাঙ্গলবন্দে স্বয়ংসম্পূর্ণ তীর্থকেন্দ্র ও পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের সরকারি পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।
      
আয়োজনের প্রস্তুতি

লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎযাপন পরিষদের সভাপতি পরিতোষ কান্তি সাহা বাংলানিউজকে জানান, ইতোমধ্যে ১৪টি ঘাট, নদে থাকা কচুরিপানা ও আগাছা পরিষ্কার করা হয়েছে। ঘাটগুলোতে পানি আসার জন্য নদে কয়েক দিন ধরেই খনন কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে, এবার পুণ্যার্থীরা ভালোভাবেই স্নান করতে পারবেন। মন্দিরের ঘাটগুলোতে কাপড় পাল্টানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, ২০০৭ সালে সরকারের গৃহীত প্রকল্প এতদিনে বাস্তবায়িত হলে লাঙ্গলবন্দে অষ্টমী স্নানে কোনো ধরনের দুর্ভোগ আর বিড়ম্বনার শিকার হতে হতো না হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের।

বাংলাদেশ হিন্দুকল্যাণ সংস্থার সভাপতি রনজিৎ মোদক বাংলানিউজকে জানান, স্নান উপলক্ষে ৩২টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ক্যাম্প করে সেবা দেবে। সেবার মধ্যে বিশুদ্ধ খাবার পানি, অসুস্থদের চিকিৎসা প্রদান, স্নান করার মন্ত্রও জানানো হবে পুণ্যার্থীদের।

এদিকে স্নানোৎসব উপলক্ষে শুরু হয়েছে মেলা। লাঙ্গলবন্দে এখন বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিক্রেতারা নানা রকমের পসরা নিয়ে মেলায় আসতে শুরু করেছেন।

স্নান ঘাটগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের সংস্কার কাজ।

কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, স্নানঘাটের পাশাপাশি লাঙ্গলবন্দে কয়েক কিলোমিটার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হবে আনসার ও পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য। ছিনতাই রোধে সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর থাকবে।

এদিকে, বন্দর থানা সূত্রে জানা গেছে, লাঙ্গলবন্দে স্নানে একজন পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার ৯ জন, পরিদর্শক ১৪ জন, এসআই ৩৩ জন, এএসআই ২১ জন, আমর্ড ব্যাটালিয়নের ৩৯ জন, কনস্টেবল ৩৯৬ জন, নারী পুলিশের এসআই ৬ জন, নারী এএসআই ১০ জন ও নাইট হাবিলদার ৫০ জন নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবেন।

লাঙ্গলবন্দ স্নানের চমকপ্রদ কাহিনী

লাঙ্গলবন্দ স্নান এবং নদের উৎপত্তি সম্পর্কে চমৎকার এক কাহিনী প্রচলিত আছে।

হিন্দু পুরাণ মতে, ত্রেতাযুগের সূচনাকালে মগধ রাজ্যে ভাগীরথীর উপনদী কৌশিকীর তীর ঘেঁষে এক সমৃদ্ধ নগরী ছিল, যার নাম ভোজকোট।

এ নগরীতে ঋষি জমদগ্নির ৫ পুত্র সন্তানের মধ্যে প্রথম সন্তানের নাম রুষন্নন্ত, দ্বিতীয় পুত্রের নাম ছিল সুষেণ, ৩য় পুত্রের নাম বসু, ৪র্থ পুত্রের নাম বিশ্বাসুর ও পরশুরাম ছিলেন সবার ছোট।

পরশুরামের জন্মকালে বিশ্বজুড়ে চলছিল মহাসঙ্কট।

একদিন পরশুরামের মা রেণুকা দেবী জল আনতে গঙ্গার তীরে যান। সেখানে পদ্মমালী (মতান্তরে চিত্ররথ) নামক গন্ধবরাজ স্ত্রীসহ জলবিহার করছিলেন (মতান্তরে অপ্সরীগণসহ)। পদ্মমালীর রূপ এবং তাদের সমবেত জলবিহারের দৃশ্য রেণুকা দেবীকে এমনভাবে মোহিত করে যে, তিনি তন্ময় হয়ে সেদিকে তাকিয়ে থাকেন।

অন্যদিকে, ঋষি জমদগ্নির হোমবেলা পেরিয়ে যাচ্ছে, সেদিকে তার মোটেও খেয়াল নেই। সম্বিত ফিরে পেয়ে রেণুকা দেবী কলস ভরে ঋষি জমদগ্নির সামনে হাত জোড় করে দাঁড়ান।

তপোবলে ঋষি জমদগ্নি সবকিছু জানতে পেরে রেগে গিয়ে ছেলেদের মাকে হত্যার আদেশ দেন। প্রথম ৪ ছেলে মাকে হত্যা করতে অস্বীকৃতি জানান।

কিন্তু পরশুরাম পিতার আদেশে মা এবং আদেশ পালন না করা ভাইদের কুঠার দিয়ে হত্যা করেন।

পরবর্তীকালে পিতা খুশি হয়ে বর দিতে চাইলে তিনি মা এবং ভাইদের প্রাণ ফিরে চান। তাতেই রাজি হন ঋষি জমদগ্নি। কিন্তু মাতৃহত্যার পাপে পরশুরামের হাতে কুঠার লেগেই থাকে। অনেক চেষ্টা করেও সে কুঠার খসাতে পারেন না তিনি।

একপর্যায়ে পিতার কথামতো পরশুরাম তীর্থে তীর্থে ঘুরতে লাগলেন।

শেষে ভারতবর্ষের সব তীর্থ ঘুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পুণ্যজলে স্নান করলে তার হাতের কুঠার খসে যায়।

পরশুরাম মনে মনে ভাবেন, এই পুণ্য বারিধারা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দিলে মানুষ খুব উপকৃত হবে। তাই, তিনি হাতের খসে যাওয়া কুঠারকে লাঙ্গলে রূপান্তর করে পাথর কেটে হিমালয়ের পাদদেশ থেকে মর্ত্যলোকের সমভূমিতে সেই জলধারা নিয়ে আসেন।

লাঙ্গল দিয়ে সমভূমির বুক চিরে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হন তিনি। ক্রমাগত ভূমি কর্ষণজনিত শ্রমে পরশুরাম ক্লান্ত হয়ে পড়েন এবং বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় এসে তিনি লাঙ্গল চালানো বন্ধ করেন।
এই জন্য এই স্থানের নাম হয় লাঙ্গলবন্দ।

এরপর এই জলধারা কোমল মাটির বুক চিরে ধলেশ্বরী নদীর সঙ্গে মিশেছে। পরবর্তীকালে এই মিলিত ধারা বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে।

জানা গেছে, ভারত, নেপাল, তিব্বত, শ্রীলঙ্কাসহ দেশ-বিদেশের লাখ লাখ পুণ্যার্থীর পদভারে মুখরিত হয়ে উঠবে লাঙ্গলবন্দের প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা।

আশোকাষ্টমীতে স্নানমন্ত্র পাঠপূর্বক নিজ নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী ফুল, বেলপাতা, ধান, দুর্বা, হরিতকি, ডাব, আম্রপল্লব ইত্যাদি দিয়ে পিতৃকূলের তর্পণ করে ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান করলে সব পাপ মুক্ত হয়ে আশাতীত পুণ্য সঞ্চয় হয়।

বাংলাদেশ সময় : ১৯০০ ঘণ্টা, মার্চ ২৮, ২০১২

সম্পাদনা : আশিস বিশ্বাস, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর


বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম    এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন
মিডিয়া হাউজ, প্লট#৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক#ডি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
নিউজরুম মোবাইল ফোন: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯, ০১৭২৯০৭৭৩৩০, ০১৭২৯০৭৬৯৫৪ ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১-২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, news@banglanews24.com (সেন্ট্রালডেস্ক) corr.bn24@gmail.com (কান্ট্রিডেস্ক), editor@banglanews24.com (এডিটর-ইন-চিফ)
বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন       একটি ইডব্লিউএমজিএল প্রতিষ্ঠান       কপিরাইট © 2013 banglanews24.com সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত