‘প্রতি বাজেটই ৯৫ ভাগের বেশি বাস্তবায়িত হয়েছে’
[x]
[x]
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ ভাদ্র ১৪২৫, ১৬ আগস্ট ২০১৮
bangla news

‘প্রতি বাজেটই ৯৫ ভাগের বেশি বাস্তবায়িত হয়েছে’

পলিটিক্যাল ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৬-০৯ ৬:৫০:০৭ পিএম
বক্তব্য রাখেন ড. হাছান মাহমুদ

বক্তব্য রাখেন ড. হাছান মাহমুদ

ঢাকা: সরকারের প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট প্রসঙ্গে সমালোচনার জবাবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগের দেওয়া বাজেট  প্রতিবারই ৯৫ শতাংশের বেশি বাস্তবায়িত হয়েছে। অথচ প্রত্যেক বাজেটের পর সমালোচকেরা এবং বিএনপি বলেছে, এই বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়, এটি উচ্চাভিলাষী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই উচ্চাভিলাষী বিগত নয়টি বাজেটই বাস্তবায়ন করেছেন।

শনিবার (৯ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) তৃতীয় তলায় স্বাধীনতা হলে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘ঐতিহাসিক ৭ই জুন ও উন্নয়নের বাজেট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগের বাজেট বাস্তবায়নের হার ইতিপূর্বেকার সরকার আর যারা সমালোচনা করে তাদের চেয়ে বহু শতাংশ বেশি। গত নয়টি বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করেছি। আর বিএনপি তো বাজেট ঘোষণার আগেই বাজেট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিয়েছে।

বাজেট নিয়ে সিপিডির (সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ) মন্তব্যের সমালোচনা করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আপনারা এতো শিক্ষিত, এতো রিসার্চ করেন, কিন্তু বাজেটের ভুল-ত্রুটি না ধরে বিকল্প একটি প্রস্তাবও কখনো তো জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারলেন না। আপনাদের কাজ হচ্ছে প্রতিবার বাজেট ঘোষণার পর তা নিয়ে সমালোচনা করা, নানারকম প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা। এ কারণে দুষ্ট লোকেরা আপনাদের সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ না বলে সেন্টার ফর প্রোপাগান্ডা ডায়লগ বলে।

বিকল্প ধারার সভাপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের প্রস্তাবনার সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে, এর কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না। 

বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, আপনার বয়স হয়েছে। দয়া করে আপনি অবসরে যান এবং ডাক্তার দেখান। দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবেন না এবং বিএনপির সঙ্গে সুর মিলিয়ে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করবেন না।

(১৯৬৬ সালের ৭ জুন বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর উত্থাপিত) ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাঙালির মনন তৈরি করার জন্য, স্বাধীনতার পথ তৈরি করার জন্য, বাঙালিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করার জন্য বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন। এ ছয় দফার পথ ধরেই বাঙালি স্বাধীনতা অর্জন করেছিল।

১৯৭০ এর নির্বাচন ছয় দফার ভিত্তিতেই হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন স্বদেশে এবং কেন্দ্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেন তখন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে ছয় দফার কয়েকটি দফা বাদ দিতে বলেছিলেন, তখন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- ছয় দফা এখন আর আওয়ামী লীগের দফা নয়, এটি বাঙালির দফায় পরিণত হয়েছে। নির্বাচনে বাঙালি এই ছয় দফার ভিত্তিতে তাদের রায় দিয়েছে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ও ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওমর বিন আবদাল আজিজের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪২ ঘণ্টা, জুন ০৯, ২০১৮
এইচএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa