[x]
[x]
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৭ আষাঢ় ১৪২৫, ২১ জুন ২০১৮

bangla news

খালেদার কারাবাস রাজনৈতিক চক্রান্ত: আমির খসরু

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৩-০৪ ৩:০৭:৪০ পিএম
বক্তব্য রাখছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: শাকিল আহমেদ

বক্তব্য রাখছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: শাকিল আহমেদ

ঢাকা: ‘খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর পেছনে সরকারের কোনো হাত নেই’ আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এটা বিচারিক রায় নয়, এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত।

রোববার (৪ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু বলেন, আমরা শুনতে পাচ্ছি নেত্রী খালেদা জিয়ার জেলে যাওয়া বিচার বিভাগের কাজ। আওয়ামী লীগের এ ব্যাপারে কিছু করণীয় নেই। কিন্তু আমার বক্তব্য হচ্ছে, দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটাধিকার, আইনের শাসন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা এবং খালেদা জিয়ার জেলে যাওয়ার মধ্যে একটি সরাসরি সম্পর্ক আছে। তাকে জেলে নেওয়ার অর্থ হচ্ছে সমস্ত নাগরিক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা, সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া। একটি অপরটির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আমি মনে করি, সে কারণেই আজকে খালেদা জিয়া জেলে।

খসরু বলেন, খালেদা জিয়ার কারাবাসের পেছনে রয়েছে রাজনীতির চক্রান্ত। আমরা বার বার বলছি, এটা বিচারিক কোনে রায় নয়। এটা হচ্ছে রাজনীতিক চক্রান্ত। বাংলাদেশের মানুষের অধিকার হরণের পেছনে তাদের এই চক্রান্ত। তারপরও যদি কেউ বলে ওনার (খালেদা) জেলে যাওয়া আইনের বিষয়, এটার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই। এই কথা কি দেশের ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে একজনও বিশ্বাস করে? এই কথাটা কি আওয়ামী লীগের যারা সমর্থক তারা বিশ্বাস করেন? যিনি একথা বলছেন উনি কি বিশ্বাস করেন। সুতরাং যে কথা নিজে বিশ্বাস করেন না, সে কথা জনগণের সামনে বললে, জনগণ কিভাবে বিশ্বাস করবে? আসলে সমস্যাটা হলো তারা জনগণ থেকে এত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যে, জনগণ তাদের কথা গ্রহণ করছে না, সেটাও বুঝতে তাদের কষ্ট হচ্ছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আজ তাদের কোনো কথা জনগণ বিশ্বাস করছে না। তাদের একটাই পথ খালেদা জিয়াকে জেলের মধ্যে রেখে, এখন থেকে নির্বাচনকালীন সময়ে নির্বাচনের যে স্পেসটা আছে এটাকে সংকুচিত করতে করতে এমন জায়গায় নিয়ে যাবে যে, যাতে করে বিএনপি আর নির্বাচন করতে না পারে। যাতে বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারে। যাতে দেশের মানুষ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করতে না পারে।

খালেদা জিয়া-শামসুজ্জামান দুদুসহ সবার রাজবন্দির মুক্তির দাবিতে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম।

সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ সভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারী।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কৃষক দলের যুগ্ম-সম্পাদক শাহজাহান মিঞা সম্রাট, ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. নেসারুল হক, জিয়া নাগরিক ফোরামের সভাপতি মিয়া মো. আনোয়ার প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৫০৭ ঘন্টা, মার্চ ৪, ২০১৮
এমএইচ/এএটি

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa