[x]
[x]
ঢাকা, শনিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ১৯ মে ২০১৮

bangla news

সমান সুযোগ চান বদরুদ্দোজা-কামাল

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৩-০২ ৮:৪২:৪৩ পিএম
আলোচনা সভায় উপস্থিত অতিথিরা। ছবি: বাংলানিউজ

আলোচনা সভায় উপস্থিত অতিথিরা। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সবার জন্য সমান সুযোগ চান বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ডা. একিউএম  বদরুদ্দোজা চৌধুরী। 

তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনেরও অভিমত, ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন কেউ চায় না। সবাই যা চায় সংবিধানে তা বাস্তবায়নে অনেক পথ রয়েছে।

শুক্রবার (০২ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। 

২রা মার্চ স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষে এ আয়োজন করে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপন কমিটি। এতে সভাপতিত্ব করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সভায় ডা. বি চৌধুরী বলেন, আপনি কী বলতে পারবেন- কোনো মন্ত্রণালয়ে ঘুষ ছাড়া কাজ চলে? প্রতিটি মন্ত্রণালয়েই বিভিন্ন কাজে ঘুষ দিতে হয়। আমি বিশ্বাস করি আপনি তা জানেন। তারপরও কেন বন্ধ হয় না? কেন প্রশ্ন ফাঁস হয়? 

‘দুর্নীতি ও ঘুষই প্রধান সমস্যা’ এমন মন্তব্য করে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন। লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করুন। আপনারাও নির্বাচনে আসুন, আমরাও আসবো। ক্ষমতার রাজনীতি বন্ধ করুন। বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসি বলেই জিয়াকে ঘৃণা করতে হবে? এটা রোঙ্, রোঙ্, রোঙ্; এটা রোঙ্ ধারণা।

অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত আইনজীবী ড. কামাল হোসেন বলেন, এ দেশে এক ব্যক্তির একদলীয় শাসন চলতে পারে না। ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন কেউ চায় না। সবাই যা চায়, তার অনেক পথ সংবিধানে আছে। এমন নির্বাচন হতে যেন, জনগণ মালিকের ভূমিকা পালন করতে পারে।

‘গণজাগরণের মধ্য দিয়ে জনগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই জনগণকে দেশের বাইরের কোনো শক্তিই বঞ্চিত করতে পারবে না।’

এ সময় আ স ম আব্দুর রব বলেন, বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন স্বাধীনতার স্থপতি। আর সিরাজুল আলম খান হচ্ছেন রূপকার। একটা দেশের স্বাধীনতার জন্য অনেকের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ অবদান থাকে। কিন্তু সিরাজুল আলম খানসহ অনেকের অবদান আজ স্বীকার করা হয় না।

‘ইতিহাস থেকে কাউকে মুছে ফেলা যায়নি, যাবেও না। রাষ্ট্রের উচিত তাদের সকলের অবদান স্বীকৃতি দিয়ে পাঠসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা,’ বলেন স্বাধীনতার প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলনকারী এই নেতা।

সভায় নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দুই নেত্রীই একজনের হাতে অন্যজন অনিরাপদ। সেখানে গণতন্ত্র আরো বেশি নিরাপত্তাহীন। তাই বিকল্প কোনো রাজনৈতিক শক্তি বেছে নিতে হবে। 

‘ভারতের আম আদমি পার্টি যেমন ভরসার জাগয়া পেয়েছিল, তেমন অবস্থায় যেতে হবে। আমরা চাই আগামী নির্বাচন একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হোক। যেখানে সব দল সমান সুযোগ পেয়ে অংশ নেবে।’ 

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বদরুদ্দোজা ও কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

১৯৭১ সালের ২রা মার্চ তৎকালীন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর থেকেই দিনটি পতাকা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। 

বাংলাদেশ সময়: ২০৩৪ ঘণ্টা, মার্চ ০২, ২০১৮
ইইউডি/এমএ 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa