ডিবির নিবারণ চন্দ্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ
[x]
[x]
ঢাকা, রবিবার, ৪ ভাদ্র ১৪২৫, ১৯ আগস্ট ২০১৮
bangla news

ডিবির নিবারণ চন্দ্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০২-১২ ২:৩১:৫৮ পিএম
আদালতে নেওয়া হচ্ছে খলিলুর হত্যা মামলার আসামিদের

আদালতে নেওয়া হচ্ছে খলিলুর হত্যা মামলার আসামিদের

ঢাকা: জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সংস্থার মহাসচিব খলিলুর রহমান হত্যা মামলায় দায়সারা ও ক্রটিপূর্ণ চার্জশিট দেওয়ায় ডিবি পুলিশের পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বর্মনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মামলার রায়ে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আবদুর রহমান সরদার এ নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ট্রাইব্যুনালের আদেশের কপি পুলিশের আইজি ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে নিবারণ চন্দ্র বর্মনের মাধ্যমে মামলার চার্জশিট থেকে অব্যাহতি পাওয়া আসামি সাগরের বিরুদ্ধে পুনরায় তদন্ত করে যত দ্রুত সম্ভব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিলেরও নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলার এজাহার অনুসারে, ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সংস্থার মহাসচিব খলিলুর রহমানকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

আসামি রুবেল ও বাবুল হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলাটি তদন্ত করে নিবারণ চন্দ্র বর্মন ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার অন্যতম আসামি সাগরের ঠিকানা না পাওয়ায় তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চাওয়া হয়। নাম-ঠিকানা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিচারক রায় পর্যবেক্ষণে বলেন, আসামি সাগরকে অভিযোগপত্রে আসামি দেখানো হয়নি। আসামি হাসানুর রহমান রুবেল স্বীকারোক্তিতে সাগরকে তার মায়ের দিকের আত্মীয় ও আসামি রমজান আলীর সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ও যোগাযোগ থাকার কথা বলেন। সেক্ষেত্রে সাগরের ঠিকানা বের করা তেমন কঠিন ছিল না। তাছাড়া অভিযোগপত্রে মামলার মোটিভও উল্লেখ নেই।

বিচারক তার মন্তব্যে বলেন, সম্পূর্ণ দায়সারা ও অদক্ষভাবে পুলিশ পরিদর্শক নিবারণ চন্দ্র বর্মন চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলাটির তদারকি ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকেও অদক্ষ বলে অভিমত দেন তিনি।

বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলেন, জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সংস্থার শত শত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। ওই সংস্থার নেতৃত্ব ও সম্পত্তি বিক্রি-ভোগ নিয়ে বিভিন্ন সময় খুন-পাল্টা খুন ও অসংখ্য মামলা-মোকদ্দমার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। শত শত কোটি টাকার সম্পত্তি থেকে আয় হলেও জাতীয় পর্যায়ে সুবিধাবঞ্চিত সব দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সুবিধা পাওয়ার কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায় না।

সংস্থার আয় কিংবা সম্পত্তি বিক্রিলব্ধ টাকা সুষ্ঠু, সমবণ্টন এবং সংস্থাটি সঠিক ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঢাকার জেলা প্রশাসককে রায়ের অনুলিপি দিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৪২৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮
এমআই/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa