[x]
[x]
ঢাকা, রবিবার, ৯ বৈশাখ ১৪২৫, ২২ এপ্রিল ২০১৮

bangla news

রোহিঙ্গা ত্রাণ প্রকল্প অনুমোদনে জটিলতা দূরের আহ্বান

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-১২-১৭ ১:০২:৫০ পিএম
প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ আহ্বান জানানো হয়-ছবি- শাকিল

প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ আহ্বান জানানো হয়-ছবি- শাকিল

ঢাকা: রোহিঙ্গা ত্রাণ প্রকল্প অনুমোদনে জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রিতার অবসান চায় কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরাম।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় সংগঠনের পক্ষে একটি অবস্থানপত্র তুলে ধরা হয়।

সংগঠনের কো-চেয়ারম্যান রেজাউল করিম চৌধুরী লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত আগস্ট থেকে রোহিঙ্গারা যখন কক্সবাজারে প্রবেশ করতে শুরু করেন, তখন থেকে বাংলাদেশে অবস্থানরত দেশি-বিদেশি এনজিওগুলো ‘এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর’ জরুরি প্রকল্প (সর্বোচ্চ ২-৩ মাস মেয়াদি) হিসেবে অনুমোদন নিয়ে কাজ করে আসছে। স্থানীয়ভাবে জেলা প্রশাসক এবং রিলিফ কমিশনারের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। এনজিও ব্যুরোর কর্মকর্তারা অকুস্থল পরিদর্শন ও অবস্থান করে এ কাজে সহযোগিতা করছেন।

‘কিন্তু নভেম্বরের ২য় সপ্তাহে রিভিশন বা পর্যালোচনা করে প্রকল্প অনুমোদন প্রস্তাবনা এবং নতুন প্রকল্প প্রস্তাবনা, যা এফডি-৭ নামে পরিচিত তার অনুমোদন ধীর হয়ে যায়। এনজিও ব্যুরো আগের মতো বিধি অনুসারে সব ধরনের অনুমোদন দেওয়া থেকে বিরত থাকে’।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, বিশ্বস্ত সূত্রে আমরা জানতে পারি, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এখন থেকে সব রোহিঙ্গা ত্রাণ সম্পর্কিত প্রকল্প প্রস্তাবনা দেশীয় এনজিও হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন নিরাপত্তা শাখার পূর্ব অনাপত্তি নিতে হবে। আর যদি বিদেশি এনজিও হয় তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুই জায়গা থেকে অনাপত্তি নিতে হবে।

কিন্তু এক্ষেত্রে এনজিও সহকর্মীদের অভিজ্ঞতা হচ্ছে, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো এনজিও অনাপত্তিপত্র পায়নি। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশীয় ও স্থানীয় এনজিগুলো।

তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে, রিভিশন প্রকল্পগুলো ডিসেম্বরের মধ্যে অনুমোদন করা না গেলে, ত্রাণ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে এবং এর সঙ্গে জড়িত ৩ থেকে ৪ হাজার কর্মীর বেতন দেওয়া যাবে না।

তিনি মানবিক কারণে বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে- এনজিও ব্যুরোর বিধিসম্মত কর্তৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া; বাংলাদেশ গেজেট অক্টোবর-১৩, ২০১৬ অনুযায়ী ৪৩ নং ধারার আইন এবং নভেম্বর ২৪, ২০১৬ বাংলাদেশ গেজেট অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুসরণ করা; সব এফডি-৭ রিভিশন এবং নতুন প্রকল্প জরুরিভাবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুমোদনের বিধিসম্মত সুযোগ দেওয়া।

গত ৭/৮ সপ্তাহ ধরে এনজিও ব্যুরোর দপ্তরে কোনো মহাপরিচালক নেই উল্লেখ করে অবিলম্বে একজন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়ার দাবিও জানান সংগঠনের কো-চেয়ারম্যান রেজাউল করিম চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার সিএসও এনজিও ফোরামের কো-চেয়ারম্যান-আবু মোর্শেদ চৌধুরী, আইএসডির নাজির আহমেদ, এডাব-এর সমন্বয়ক একেএম জসিম, মোস্তফা কামাল আকন প্রমুখ।
 
বাংলাদেশ সময়: ১৩০১ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৭
এমএইচ/জেডএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa