[x]
[x]
ঢাকা, সোমবার, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২০ নভেম্বর ২০১৭

bangla news

ধারাবাহিক ঘটনার পেছনে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-১১-১৪ ৭:১৩:৫৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

ঢাকা: কক্সবাজারের রামু এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের পর ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘরে আগুন দেওয়া হয় রংপুরের ঠাকুরপাড়ায়। ধারাবাহিকভাবে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির পেছনে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনায় পুলিশ কনভেনশন হলে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ পুলিশ।

মন্ত্রী বলেন, রামু, নাসিরনগর এবং রংপুরের ঠাকুরপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় ধারাবাহিকভাবে একই ঘটনা ঘটেছে। এটা আমরা বিশেষভাবে লক্ষ্য করছি, এর পেছনে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে ঠাকুরপাড়া পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রংপুরের এ ঘটনায় স্থানীয়দের সবাই একবাক্যে ঘৃণা করেছেন। যারা ফেসবুকে উস্কানীমূলক পোস্ট দিয়েছেন এবং যারা এটা কেন্দ্র করে বিভিন্ন বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন দু’টোই সমভাবে নিন্দনীয়। যারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার দিন ওই এলাকায় পুলিশ থাকার পরেও কিভাবে অগ্নিসংযোগ হলো, এখানে পুলিশের গাফিলতি ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল না। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পরেই এমন হামলার আশঙ্কায় পুলিশ ওই এলাকাটি ঘিরে রেখেছিল। কিন্তু ওইদিন ঘটনাস্থলের কাছেই একটি জানাজা ছিল। সেখানে মুসল্লিদের ভুল বুঝিয়ে নানাভাবে উত্তেজিত করে অনেককে হামলায় উৎসাহিত করে। কিন্তু সে তুলনায় পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ছিল কম। ঘটনার আকস্মিকতার কারণে পুলিশ তৈরি হতে পারেনি।

ফেসবুকে পোস্টটি কে বা কারা করেছিল বিষয়টি তদন্তাধীন বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (১০ নভেম্বর) কয়েক হাজার মানুষ ঠাকুরপাড়ার হামলা চালিয়ে কয়েকটি বাড়িঘরে আগুন দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে হাবিবুর রহমান (৩০) নামে একজন মারা যান। আহত হন আরও অন্তত ১১ জন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ২৫ মার্চ রাতে আধুনিক অস্ত্র-সজ্জে সজ্জিত একটি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে থ্রি নট থ্রি রাইফেল দিয়ে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলে আমাদের পুলিশ বাহিনী। এই প্রতিরোধের ইমপ্যাক্ট সারা দেশে পড়েছিল। আমাদের মনে হয়েছে আমরা একা নই, আমাদের সঙ্গে পুলিশ আছে।

পুলিশ বাহিনীর এই বীরত্বের কথা দেশ ও জাতি সবসময় স্মরণ করছে। মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর পুরষ্কার স্বরূপ ২০১১ সালে পুলিশ বাহিনীকে স্বাধীনতা পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়। আজ ৩৪জন প্রথম প্রতিরোধ যোদ্ধাকে সম্মানিত করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের স্বচিব মোস্তফা কামাল, র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০০ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৪, ২০১৭
পিএম/এসএইচ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

FROM AROUND THE WEB
Loading...
Alexa