[x]
[x]
ঢাকা, বুধবার, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১৫ নভেম্বর ২০১৭

bangla news

মুন্সীগঞ্জে ভাঙন কবলিত এলাকার চাকরিজীবীদের ছুটি বাতিল

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-০৭-১৭ ৭:১১:০২ পিএম
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জে যে সব এলাকা ভাঙন কবলিত এবং পদ্মার তীব্র স্রোতে হুমকির মুখে সে সব এলাকার সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি বাতিল এবং আশ্রয় কেন্দ্রগুলো খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গোলাম মোস্তফা।

সোমবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে খাবারের অভাব ছিল এখন ১৬ কোটি মানুষের খাবারের অভাব নেই। যখন দরকার হবে দুর্যোগে পড়া মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে যাবে।

বাংলাদেশে পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে জেলা প্রশাসক চাইলে ত্রাণের প্রস্তাব ই মেইলের মাধ্যমেও জানাতে পারেন। নদীতে ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণের টিন ও নগদ তিন হাজার করে টাকা দেওয়া হবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবীদের ভাঙন এলাকায় সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার কথা বলেন তিনি।

সভার সভাপতিত্বে থাকা জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা বলেন, মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় দায়িত্ব পালন করছে মুন্সীগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা প্রশাসনের কর্তকর্তাদের কাজ করতে হবে। ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের জন্য ইতোমধ্যে আমাদের হাতে রয়েছে ৭৫ মেট্রিক টন চাল ও দেড় লাখ টাকা। এই এলাকার জন্য আরো ত্রাণের প্রয়োজন।

লৌহজংয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, জেলা প্রশাসক এরই মধ্যে উপজেলার নদী তীরবর্তী গ্রামগুলো পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিপদসীমার নিচে পানি থাকলেও পদ্মা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় গ্রামগুলোর নিচু এলাকায় পানি ঢুকে গেছে।

এসময় স্থানীয় সরকারের উপ সচিব আবু সালেহ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন খাঁ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক শিক্ষা ও আইসিটি) মোহা. হারুন-অর- রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া জাহান, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মতিউল ইসলাম হিরু, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ওমর ফারুক, শ্রীনগর ও টংগীবাড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৫ ঘণ্টা, ১৭ জুলাই, ২০১৭
আরএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

FROM AROUND THE WEB
Loading...
Alexa