Alexa
ঢাকা, সোমবার, ৯ শ্রাবণ ১৪২৪, ২৪ জুলাই ২০১৭

bangla news

বন্যার্তদের কাছ থেকে ঋণ না আদায়ের অনুরোধ ত্রাণমন্ত্রীর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-০৭-১৭ ২:১৮:২০ পিএম
ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া-ছবি-বাংলানিউজ

ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া-ছবি-বাংলানিউজ

কুড়িগ্রাম: আমরা জানতে পেরেছি, বিভিন্ন এনজিও সুদসহ ঋণ আদায়ে চাপ সৃষ্টি করছে। এমনিতেই বানভাসী মানুষেরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কোন অবস্থাতেই যেন তাদের ওপর ঋণ আদায়ের জন্য চাপ দেওয়া না হয়। তাদের অনুরোধ করছি তারা যেন এই ম‍ুহূর্তে চাপ সৃষ্টি না করে। 

সোমবার (১৭ জুলাই) কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার বন্যা কবলিত চর শাখাহাতি গ্রামে দুপুর ১২টার দিকে ত্রাণ বিতরণকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আশা করছি দু-চার দিনের মধ্যে বন্যার পানি নেমে যাবে। পানি নেমে গেলে তারা ঘরে ফিরে যাবেন। তখন চল্লিশ দিনের কর্মসূচি দিয়ে কাজের ব্যবস্থা করা হবে। ইতোমধ্যে যাদের ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গেছে পানি নেমে যাওয়ার পরেই তাদের তালিকা তৈরি করে পুনর্বাসন করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, যারা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্যের নিশ্চয়তা দেওয়া এবং পরবর্তীতে দুর্দশা লাভের কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। তাদের কোনো কষ্ট থাকবে না।

বিএনপি’র বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কেউ তো আসে না ঢাকায় বসে ফাঁকা আওয়াজ দেয়। বিরোধী দলের কেউ উ‍ঁকি মেরে দেখেনি যে বন্যার্ত মানুষরা কিভাবে আছে। তারপরেও বিএনপির নেতাদের অনুরোধ করবো তারা যেন বন্যার্তদের পাশে এসে দাঁড়ায়।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাফর আলী, জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, পুলিশ সুপার মো. মেদেদুল করিম, চিলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম প্রমুখ।

বাংলাদেশ সময়: ১৪১৮ ঘণ্টা, জুলাই ১৭, ২০১৭
আরআর
 

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

You May Like..
Alexa