ঢাকা, শনিবার, ৫ কার্তিক ১৪২৪, ২১ অক্টোবর ২০১৭

bangla news

পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-০৬-১৯ ৩:১৮:৪৮ পিএম
প্রতিকী ছবি

প্রতিকী ছবি

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়র হোসেন মঞ্জু সংসদে জানিয়েছেন, পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে দ্রুত ও জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে নিয়মিত মামলা ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

সোমবার (১৯ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। ফরিদুল হক খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, জলাভূমি ভরাট করার অপরাধে চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এছাড়া শিল্প বর্জ্য হতে দূষণ কমানোর লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে তরল বর্জ্য নির্গমনকারী সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানে ‘জিরো টলারেন্স’ পলিসি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

একই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ২ হাজার ৮৯১ টি প্রতিষ্ঠান হতে পরিবেশ দূষণের জন্য ২৩৪ কোটি ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য এবং তার মধ্যে ১৪৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। এই সময়ে এক হাজার ৫৫৩ টি শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপিত হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ’র প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, শিল্প দূষণ থেকে যেন পানি দূষিত না হয়,তার জন্য কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপনপূর্বক ১০০টি ইকোনোমিক জোন স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীকে পরিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে নদীগুলোর ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আর হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড হতে সারা দেশে বনায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৪৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪ টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৫১২ ঘণ্টা, জুন ১৯, ২০১৭
এসএম/আরআই

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

FROM AROUND THE WEB
Loading...
Alexa