ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

bangla news

নারী উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়নে বাজেটে বরাদ্দের দাবি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৬-০৪-২৭ ২:৫১:১০ পিএম
ছবি: নূর- বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি: নূর- বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

আসন্ন জাতীয় বাজেটে নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১-এর জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিতকরণে বরাদ্দ রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

ঢাকা: আসন্ন জাতীয় বাজেটে নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১-এর জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিতকরণে বরাদ্দ রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

শুরুতে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ মূল বিষয়ের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

এ সময় তিনি বলেন, জাতীয় নারী নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নে প্রয়োজন নেতৃত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে কার্যক্রম সম্পাদন, সমন্বয় ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের মোট বাজেটের মাত্র ২৬.৮০ ভাগ নারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল। যা বিগত তিন অর্থবছরের শতাংশের হিসাবে প্রায় একই রকমের আছে। এভাবে বাজেটে উপেক্ষিত থাকলে নারীদের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।

এ সময় তিনি নারী ও কিশোরী নির্যাতন বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মেয়ে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন থেকে আত্মরক্ষায় সক্ষম করে তুলতে বিদ্যালয়ে ও কমিউনিটিতে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখাসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইমা হক বিদিশা বলেন, শহরে ও বিদ্যালয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীদের চলাফেরা করতে হিমশিম খেতে হয়। তাই সবক্ষেত্রে মেয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, বলা হয় আমাদের নারী শ্রমিকের অবস্থান বাড়ছে। সে হারে কিন্তু পারিশ্রমিক বাড়ছে না, তাহলে অবস্থান বেড়ে কী লাভ! নেতৃত্বের জায়গায় অংশগ্রহণ বাড়ছে না। অনেক বিষয়ে নারীর বড় অবদান থাকলেও সে হারে তা ওঠে আসে না। তাই আমাদের মনোভাব বদলাতে হবে।

বিআইডিএস’র  সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. প্রতিমা পাল মজুমদার বলেন, ঠিক মনিটর না থাকার কারণে নারী ও পুরুষের মজুরি সমান হচ্ছে না। কমিউনিটি ক্লিনিকে নারী চিকিৎসক না থাকায় নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আমরা এখনো মাতৃ মৃত্যুহার কমাতে পারছি না। তাই এসব সেবা বৃদ্ধি করতে বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, বাজেটে নারীর গুরুত্ব তুলে ধরে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখতে হবে। তবেই নারীরা আরও গতি নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এতে দেশ আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাবে। নারীদের নিরাপত্তা বজায় রাখতে অবশ্যই বাজেটে বিশেষ কিছু রাখতে হবে এবং বরাদ্দগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন আয়োজক সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবির।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৮ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৭, ২০১৬
একে/টিআই/এএটি/জেডএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

FROM AROUND THE WEB
Loading...
Alexa