সংসদ ভবন থেকে: বিরোধী দলের টানা বর্জনের মধ্য দিয়ে চলতি নবম জাতীয় সংসদের ১৫তম অধিবেশন বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। সংক্ষিপ্ত এ অধিবশেনের কার্যদিবস ছিলো মাত্র দশটি। সংসদ সদস্যদের টিআইবির প্রকাশিত এক রিপোর্ট নিয়ে অধিবেশন উত্তপ্ত করেন মহাজোট সদস্যরা।
গত ১৪ নভেম্বর অধিবেশন শুরু হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশ পাঠ করে ১৫তম অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণার আগে স্পিকার আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট বলেন, “জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ এই অধিবেশনও বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ছাড়া শেষ হচ্ছে। আমি প্রতিবারের মতো এই অধিবেশনেও অত্যন্ত আশাবাদী ছিলাম যে, প্রধান বিরোধী দল সংসদ অধিবেশনে যোগ দেবে। গণতন্ত্রের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা এক ও অভিন্ন হওয়া আবশ্যক। গণতন্ত্রের স্বার্থেই সংসদকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে। আমি আশা করব, এ লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেষ্ট থাকব।”
তিনি বলেন, “বর্তমান এই অধিবেশনে নবম জাতীয় সংসদে টাঙ্গাইল-৩ আসন থেকে এবং ১৯৭ গাজীপুর-৪ আসন থেকে উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত দু’জন নবীন সংসদ সদস্য সংসদে যোগদান করেছেন। তাদেরকে আমরা আবারো স্বাগত জানাই। এটা লক্ষ্যণীয় যে, নবম জাতীয় সংসদ তরুণ ও নবীনদের জয়ধ্বনিতে মুখরিত হয়েছে। রাজনীতির পীঠস্থান এই মহান জাতীয় সংসদে নবীন ও প্রবীণদের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে দেশ ও জনগণ কাঙ্খিত ও অনিবার্য সাফল্যে পৌঁছাবে বলে আমি তা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।”
প্রসঙ্গত, এবারের অধিবেশনে মোট কার্যদিবস ছিল ১০টি। এ অধিবেশনে ১৫টি সরকারি বিলের মধ্যে ৬টি বিল পাস হয়। ৭১ বিধিতে ৩১৪টি নোটিশ পাওয়া গেছে। নোটিশগুলোর মধ্যে ১৮টি গৃহীত হয় এবং গৃহীত নোটিশের মধ্যে ১১টি সংসদে আলোচিত হয়। ৭১ (ক) বিধিতে দুই মিনিটের আলোচিত নোটিশের সংখ্যা ৭৫টি। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য মোট ৯০টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৯টি প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তর দেওয়ার জন্য মোট ১ হাজার ৫৪৪টি প্রশ্নের মধ্যে মন্ত্রীরা ৮২৮টি প্রশ্নের জবাব দেন
বাংলাদেশ সময়: ২০৪৮ ঘণ্টা,নভেম্বর ২৯,২০১২
এসএইচ/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর