রাজশাহী : নানা অভিযোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিএমএ) এর ভোট গ্রহণ। ভোটদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বুথ না থাকায় খোলাস্থানে বেঞ্চে দাঁড়িয়েই ভোটারদের ভোট দিতে দেখা গেছে।
বিএমএ’র নির্বাচনে রাজশাহীতে ৯১৯ ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৮১৮জন। কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়াও এখানে স্থানীয় ১০জন কাউন্সিলর নির্বাচিত করা হবে। দশটি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এখানকার ২১ জন চিকিৎসক।
ডা.আজিজ-ডা.জাহিদ প্যানেলের রাজশাহী থেকে কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য প্রার্থী ডাঃ রেজাউল কবির হেলাল অভিযোগ করেন, তাদের প্যানেলের পোস্টার ও ব্যানার মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে টাঙ্গাতে দেওয়া হয়নি। এখানে ভোটগ্রহণের জন্য বুথ স্থাপন করার কথা ছিল ২৮টি। অথচ বুথ করা হয়েছিল মাত্র ৮টি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভোটার ভোট দিয়ে এসে জানান, বুথ না থাকার কারণে অনেকটা প্রকাশ্যেই ভোট দিতে হচ্ছে। যারা নির্দলীয় ভোটার, তাদের ফলো করছে সরকার দলীয় প্রার্থীদের লোকজন। বিশেষ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা খুব কাছাকাছিতে অবস্থান নিয়ে সাধারণ ভোটারদের খেয়াল করছে তারা কাকে ভোট দিচ্ছেন।
এটি ভোটারের জন্য খুবই বিব্রতকর পরিবেশ বলে মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচনে সরকার সমর্থকরা নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রভাব খাটিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ড্যাব নেতারা। এমনকি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে তাদের নিজস্ব টেন্ট স্থাপনেও বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ করেন ড্যাব রাজশাহী শাখার সভাপতি ডা. ওয়াসিম হোসেন।
তিনি অভিযোগ করেন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনকে দিয়ে ক্ষমতা খাটানো হয়েছে। এছাড়া বিভিন্নভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে। তিনি জানান, ভোট কেন্দ্রে নানা অসঙ্গতি দেখা গেলেও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে ভোট গ্রহণ শেষ করার স্বার্থে সব কিছুকে নমনীয়ভাবে দেখা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে স্বাচিপপন্থী বিএমএ’র রাজশাহী শাখার সভাপতি ডা. দায়েম উদ্দিন বলেন, ড্যাবের তরফ থেকে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৫ ঘন্টা, নভেম্বর ২৯, ২০১২
এসএস/সম্পাদনা: সুকুমার সরকার, কো-অর্ডিনেশন এডিটর