![]() |
ঢাকা: ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য বিশ্বের ফ্যানক্লাবগুলো নিজ নিজ দলকে সমর্থনে ছোট ছোট গ্রুপে বিভক্ত। হঠাৎ ওই গ্রুপগুলো ভেঙ্গে আবার তৈরি হয়েছে নতুন দুটি দল! কারণ শনিবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। লাতিন আমেরিকার এই দুটি দলকে গলা ফাটিয়ে সমর্থন দিতে ভাগ হয়ে গেছেন ভক্তরা।
লিওনেল মেসি, গঞ্জালো হিগুয়েন, সার্জিও আগুয়েরো ও ডি মারিয়ারা এগিয়ে নেবেন আলেহান্দ্রো সাবেলার দলকে। ছন্দেও আছেন কোচের ময়দানী যোদ্ধারা। সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের একটিতেও হারেনি আর্জেন্টিনা। সবচেয়ে বড় বিষয় জাতীয় দলের হয়ে দারুণ খেলছেন মেসি। গত সপ্তাহে ২৪ বছর বয়সী মেসির দুর্দান্ত পারফরমেন্সে ইকুয়েডরকে ৪-০ গোলে উড়িয়েছে আর্জেন্টিনা। খেলায় একটি গোল করার পাশাপাশি বলের যোগানও দিয়েছেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।
সব মিলে তিনবার ফিফা ব্যালন ডি’ওরের পুরস্কার জেতা মেসি জাতীয় দলেও দারুণ ছন্দে রয়েছেন। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষেও জ্বলে উঠেবেন বৈকি। তবে তারকা সমৃদ্ধ আর্জেন্টিনাকে মাঠেই জবাবে দেবে মানো মেনেজেসের দল ব্রাজিল। নেইমার, রবিনহো, লেয়ান্দ্রো ও রোনালদিনহোরাও পায়ে শান দিচ্ছেন।
সারা বছর ভালো খেলেও গত সপ্তাহে মেক্সিকোর কাছে হোঁচট খেয়েছে ব্রাজিল। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। অবশ্য এর আগে শেষ চার ম্যাচের একটিতেও হারেনি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের আয়োজকরা। দলের এমন হারে সমালোচনা করেছেন কিংবদন্তী ফুটবলার পেলে। পাশাপাশি সর্তক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সান্তোস তারকা নেইমারকেও।
এপর্যন্ত ৯০টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। ৩৪ বার জিতেছে মেসিরা। ৩৩টিতে জয়ের হাসি হেসেছে ব্রাজিল। এক ম্যাচ শেষ হয় অমীমাংসিতভাবে। যাই হোক, পরিসংখ্যান বা রেকর্ড দিয়ে লাতিন আমেরিকার দুই পরাশক্তির বিচার না করাই ভালো। কেননা সম্মুখ লড়াইয়ে একেবারেই ব্যতিক্রম তারা!
বাংলাদেশ সময়: ১৬৫৯ ঘণ্টা, জুন ০৯, ২০১২
সিজি
সম্পাদনা: সেকান্দার আলী, বিভাগীয় প্রধান স্পোর্টস