বাগেরহাট: বাগেরহাটের রামপালে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হলে সুন্দরবনের ওপর ক্ষতিকর কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বিদ্যুৎ সচিব উমা শংকর।
বুধবার দুপুরে বাগেরহাটের রামপালের সাপমারি এলাকায় ভারত-বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে নির্মিতব্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
উমা শংকর বলেন, “বাগেরহাটের রামপালে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হলে সুন্দরবনের ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে না। কারণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লির উচ্চতা থাকবে ২৫০ মিটার। সুন্দরবনের বাফার পয়েন্ট থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে এ কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। ফলে পরিবেশ দূষণ হবে কম। এছাড়া, সুন্দরবনের ক্ষতির কোনো সম্ভাবনাই নেই।”
এসময় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই এলাহী বলেন, “বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে শুধু সুসম্পর্কই নয়, রামপালের এ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটা বিশাল স্বপ্নের বাস্তবায়ন। চলতি বছরের এপ্রিলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী কয়লা ভিত্তিক এ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।”
তিনি আরও বলেন, “১৮শ’ ৩৪ একর জমির উপর প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক এ তাপ কেন্দ্রের কাজ ২০১৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তখন এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রাণ কেন্দ্রে পরিণত হবে।”
দুই দেশের ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভি, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক, ভারতীয় হাই কমিশনার পঙ্কজ সরণ, বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শাহজাহানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ০০৩৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ৩১, ২০১৩
সম্পাদনা: জয়নাল আবেদীন, নিউজরুম এডিটর