চাঁদপুর: ঘন কুয়াশায় চাঁদপুর মেঘনা নদীতে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা। সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেটি কোনো লঞ্চ ও ফেরি।
গত ২/৩ দিনে চাঁদপুর থেকে সঠিক সময়ে কোনো নৌ-যান ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে পারে নি। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের। শিশু ও বৃদ্ধরা সীমাহীন কষ্টের শিকার হন।
ঢাকা থেকে আগত মাহমুদ হোসেন বাংলানিউজকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার জমজম লঞ্চে রওনা করে সকাল ১১টায় এসে চাঁদপুর পৌঁছায়। ঘনকুয়াশায় লঞ্চ পিঁপড়ার গতিতে চলেছে।
বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুর নদী বন্দর কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন বাংলানিউজকে জানান, কুয়াশার কারণে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো ৩-৪ ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌছার কথা থাকলেও ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর ঘাটে এসে ভিড়ে। ঘন কুয়াশায় লঞ্চ চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।
দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা যেসব যাত্রীবাহী আঁচল, জাহিদ-৩, কর্ণফুলি-৩, জামাল-১, অগ্রদূত প্লাস , অভিযান-৩ লঞ্চ সোমবার ভোরে চাঁদপুর ঘাটে পৌঁছার কথা থাকলেও সেগুলো মঙ্গলবার সকাল ১১ থেকে ১২টায় এসে পৌঁছে।
এছাড়াও চাঁদপুর থেকে ঢাকা রুটে চলাচলকারী লঞ্চগুলোও নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে যেতে পারেনি। ১০/১২টি লঞ্চ চাঁদপুর ঘাটে দেরিতে আসে বলে জানান তিনি।
ঢাকা থেকে সোমবার রাতে ছেড়ে আসা এমভি রফরফ, ঝমঝম, শ্রী নগর-২, সম্পা, কোকো-৩, যুবরাজ-৪, বোগদাদীয়া-৮ যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো ভোর ৪টার স্থলে মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টায় চাঁদপুর লঞ্চঘাটে পৌঁছায়।
এমভি ঈগল ও ময়ূর-২ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. আজগর হোসেন বাংলানিউজকে জানান, গত কয়েক দিনের তুলনায় সোমবার কুয়াশা বেশি হওয়ায় সঠিক সময়ে লঞ্চ চলাচল করতে পারেনি। এতে করে যাত্রী সাধারণ চরম দুর্ভোগে পড়ে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৪৮ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১১, ২০১২
সম্পাদনা: প্রভাষ চৌধুরী, নিউজরুম এডিটর