![]() |
| ফাইল ফটো |
চট্টগ্রাম: সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে চট্টগ্রাম বিভাগে শনিবার থেকে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী সোমবার পর্যন্ত নিবন্ধনের পর ২২ জানুয়ারি লটারির মাধ্যমে কর্মীদের বাছাই করা হবে।
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছূক কর্মীরা নিজস্ব ইউনিয়নের তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে গিয়ে নিবন্ধন করছেন।
এজন্য তাদেরকে সার্ভিস চার্জ হিসেবে ৫০ টাকা করে দিতে হবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জহিরুল আলম মজুমদার বাংলানিউজকে বলেন, ‘শনিবার সকাল ৯ টা থেকে চট্টগ্রাম জেলার ১৯৫টি ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের মধ্যে ১৯২ টিতে কর্মী নিবন্ধন শুরু হয়েছে। বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও প্রথমদিন সকালে কারিগরি ত্রুটি এবং ইন্টারনেটের গতি কম থাকায় কেন্দ্রে আসা কর্মীরা রাত পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করছেন।’
তিনি জানান, নিবন্ধিত ব্যক্তিদের মধ্যে ২২ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লটারির মাধ্যমে চাহিদা অনুযায়ী কর্মী নির্বাচন করা হবে। এদিনই নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়াও www.g2g.bmet.gov.bd- ওয়েবসাইটে নির্বাচিত কর্মীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নিবন্ধনের প্রথম দিনে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলায় ৫ হাজার ৩৩০ জন কর্মী আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন জহিরুল আলম।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারিভাবে কর্মী পাঠানোর চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে তিন ধাপে ৩০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে। এজন্য জন প্রতি ৪০ হাজার টাকা করে খরচ হবে।
নিবন্ধন প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। শারীরিক যোগ্যতা হিসেবে তাদের উচ্চতা সর্বনিম্ন ৫ ফুট এবং কমপক্ষে ৫০ কেজি ওজন থাকতে হবে।
জহিরুল আলম মজুমদার জানান, চট্টগ্রাম বিভাগের সংশ্লিষ্ট পাঁচ জেলা থেকে লটারির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত কর্মীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য করে তোলা হবে।
এজন্য তাদেরকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি তাদের জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ সময়: ১৭ ৫০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৯, ২০১৩
এমবিএম/টিসি