![]() |
ঢাকা : নারীদের সকল ক্ষেত্রে সম-সুযোগ নিশ্চিত করা এবং তাদের শিক্ষিত করে তুলতে নানামুখী কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। নারীদের শিক্ষিত করে তুলতে পারলে তারা তাদের অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গতকাল বৃহস্পতিবার আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ৬৭টি নারী ও মানবাধিকার সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’র উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গণসমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত এক শোভাযাত্রায় তিনি নেতৃত্ব দেন।
সমাবেশে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নিবার্হী পরিচালক ও মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, নারীর আজ যে অর্জন তা বহু আন্দোলন আর সংগ্রামের ফসল।
তিনি দেশের পরিবেশ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র কখনো নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে পারেনি। সেখানে জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ বারবার হানা দিয়েছে। দেশের গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে না পারলে নারীর অধিকার, নারীর স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে না।
সমাবেশে ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, গত ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্বব্যাপী নারী আন্দোলনের ব্যাপকতা লাভ করলেও নারী পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিপীড়ন-বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার। পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থাই নারীর এ অধ:স্তন ও মর্যাদাহীন অবস্থার জন্য দায়ী। এ কারণে নারীর স্বাভাবিক বিকাশ হচ্ছে বাধাগ্রস্ত। কেবল নারী হয়ে জন্মগ্রহণের কারণেই কন্যাশিশু, কিশোরী তরুণী নারী- এমনকি ৬০/৭০ বছরের নারী প্রবীণরাও আজ নিরাপদ নয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, আইন ও সালিশ কেন্দ্র, স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ, ব্র্যাক, উইমেন ফর উইমেন, কেয়ার বাংলাদেশ, বাংরাদেশ মহিলা সমিতি, কর্মজীবী নারী, কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াউড, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, নিজেরা করি, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, ঢাকা ওয়াইডাব্লিউসিএ, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন, অক্সফাম জিবি, একশন এইড বাংলাদেশ, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশসহ অন্যান্য নারী ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী সিটি ব্যাংক এনএ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাশে সময়: ১৬৩০ঘণ্টা, মার্চ ০৯, ২০১২