![]() |
তুই তো আমার ঘাম জিভ দিয়ে ছুঁয়ে
বলেছিলি অবন্তিকা, ‘আহ কি নোনতা
অন্তরতমের প্রাণ— পুরুষালি ঘ্রাণ’;
সেই দিন, লক-আপ থেকে আদালতে
হাতে হাতকড়া আর কোমরে দড়ির
ফাঁসে বাঁধা, হেঁটেছি ডাকাত-খুনিদের
সাথে, রাজপথে সার্কাসপ্রেমীদের ভিড়।
…………………………………………
বিশ্বাসঘাতক যারা, আমার বিরুদ্ধে
আদালতে রাজসাক্ষী হয়েছিল, তারা
কাঠগড়া থেকে নেমে বলেছিল, নুন
তো পায়নি, মিষ্টি ছিল আমার ঘামেতে:
তাই বিশ্বাসভঙ্গের প্রশ্ন নেই কোনো—
নিমকহারামি বলা চলবে না তাকে।
অমরত্ব
সালিশি-সভার শেষে তাড়া করে পিটিয়ে মেরেছে যারা, তারা
তোকেও রেয়াত করল না অবন্তিকা; আমরা দুজনে পচে
চলেছি হুগলি ঘোলা জলে ভেসে: কী দোষ বলতো আমাদের?
বউ তুই বৈভবশালীর, আমি গোপন প্রেমিক ছোটোলোক;
সাম্যবাদ নিয়ে কত কথা চালাচালি হল তিরিশ বছরে,
প্রেমিকের জন্য নয়, কে জানে কাদের জ্ঞানে লেগেছে কেতাব–
প্রেমে পচে গলে হারিয়ে যাওয়া ছাড়া যা থাকে তা অর্থহীন
সংসারের ঘানি টেনে কলুর বলদে মেটামরফোজড প্রাণী,
পার্টির ফেকলু কর্মী। ভাল এই লাশ হয়ে সমুদ্র ফেনায়
বিশাল ঢেউয়ে চেপে সকালি আলোর পথে মৃত জড়াজড়ি…
বাংলাদেশ সময়: ০০০৫ ঘণ্টা, ১৭ আগস্ট, ২০১২
সম্পাদনা: এম জে ফেরদৌস