English
সব খবর      অর্থনীতি     আন্তর্জাতিক     ইচ্ছেঘুড়ি     কপ-১৭     খেলা     জাতীয়     জীববৈচিত্র্য     তথ্যপ্রযুক্তি     পিআইডি পরিক্রমা     প্রবাসের চিঠি     ফিচার     বাংলানিউজ স্পেশাল     বাংলানিউজএক্সক্লুসিভ     বিদ্যুৎ ও জ্বালানি     বিনোদন     মনোকথা     মুক্তমত     রাজনীতি     শিল্প-সাহিত্য     সত‌্যি বিচিত্র!     স্বপ্নযাত্রা     স্বাস্থ্য     

চট্টগ্রামে ধর্ষকের ৬০ বছরের কারাদণ্ড


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রাম: ধর্ষণের অপমান সহ্য করতে না পেরে মাদ্রাসা ছাত্রীর আত্মহননের মামলায় আহমদ হোসেন নামে এক আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের পৃথক দুটি ধারায় ৩০ বছর করে মোট ৬০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একইসঙ্গে আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রেজাউল করিম সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার বাংলানিউজকে বলেন, “আহমদ হোসেনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে দু’বার যাবজ্জীবন অর্থাৎ ৩০ বছর করে মোট ৬০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। আদালত দু’টি ধারায় দেওয়া এ দণ্ডাদেশ একটির পর আরেকটি কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন।”

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২২ মার্চ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার জাফরাবাদ গ্রামের জনৈক মো. ইউনূসের মেয়ে ও সাতবাড়িয়া শাহ আমানত মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী তানিয়া সুলতানা হিরুকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে অপহরণ করে নগরীর বহদ্দারহাটে একটি বাসায় নিয়ে যায় বখাটে যুবক আহমদ হোসেন ও তার সহযোগীরা।

পরে তিনদিন ধরে তাকে আটকে রেখে জোরপূর্বক তাকে বিয়ের চেষ্টা করে আহমদ হোসেন। হিরু রাজি না হওয়ায় তাকে তিনদিনে পাঁচবার ধর্ষণ করে বখাটে আহমদ।

তিনদিন পর হিরু ২৪ মার্চ ভোরে জিম্মি অবস্থা থেকে পালিয়ে এলাকার এক বৃদ্ধের বাসায় গিয়ে তাকে পিতা ডেকে আশ্রয় নেয়। ওই বৃদ্ধ পরবর্তীতে হিরুর মা সখিনা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সখিনা এসে তার মেয়েকে নিয়ে যান।

২৫ মার্চ সখিনা চন্দনাইশ থানায় চারজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার বাকি আসামিরা হচ্ছে, ইসমাইল, জয়নাল আবেদিন ও আনোয়ার হোসেন।

এ ঘটনার ৪ মাস পর ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই হিরু নিজ বাসায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

এরপর ২০০৭ সালের ৩০ জুলাই আসামি আহমদ হোসেনের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৭ ও ৯ (১) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এতে বাকি তিন আসামির নাম বাদ দেওয়া হয়। ২০০৭ সালের ৩১ অক্টোবর আসামি আহমদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগপত্রভুক্ত ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার এ রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আহমদ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিল। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৬১০ ঘণ্টা, জুলাই ১৬, ২০১২
আরডিজি/সম্পাদনা: আবু হাসান শাহীন, নিউজরুম এডিটর

আগের পৃষ্ঠা
যোগাযোগ: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম, মিডিয়া হাউজ, প্লট # ৩৭১/এ (৩য় তলা), ব্লক # ডি, বসুন্ধরা রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯, বাংলাদেশ
ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১, ৮৪০২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ নিউজ রুম সেল: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, editor.banglanews@gmail.com, editor@banglanews24.com
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম    এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন
কপিরাইট © 2013 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত
একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান