[x]
[x]
ঢাকা, সোমবার, ৩ বৈশাখ ১৪২৫, ১৬ এপ্রিল ২০১৮

bangla news

মিয়ানমার সেনারা কোনোদিন জবাবদিহিতায় যাবে না!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-১১-১৪ ৪:০২:১৩ পিএম
মিয়ানমার সেনা

মিয়ানমার সেনা

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা নির্যাতনের অভিযোগে দেশটির সেনাবাহিনীর তদন্তে নিজেদের নির্দোষ বলাকে ‘জবাবদিহি এড়িয়ে’ যাওয়া হিসেবে দেখছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি এক সংবাদ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কোনো অভিপ্রায় নেই। তারা প্রকাশ্য মানবতাবিরোধী অপরাধকে অস্বীকার করে দিলো।

অপরাধী সেনাদের বিষয়ে এখন বিশ্বকেই একটা সিদ্ধান্তে আসতে বলে বলে সংস্থাটি বলেছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়েছে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের। এজন্য জাতিসংঘ দ্রুত উদ্যোগ নিতে পারে।

অ্যামনেস্টির দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং প্যাসিফিক অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক জেমস গোমেজ বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আরও একবার মিয়ানমার সেনারা নির্যাতনকে লুকানোর চেষ্টা করলো। যদিও যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে কীভাবে রোহিঙ্গাদের তাদের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। গ্রামের পর গ্রামে আগুন দেওয়া হয়েছে। এটিকে আমরা কেবল মানবতাবিরোধী অপরাধই বলতে পারি।

তবে রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা, নারীদের ধর্ষণ, গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া কিংবা লুটপাটের কোনো ঘটনায় সেনা সদস্যরা জড়িত নয় বলে দাবি করা হয়েছে ওই সেনা তদন্ত প্রতিবেদনে।

সেনাবাহিনী বলেছে, রোহিঙ্গাদের মধ্যে সন্ত্রাসীরাই মানুষের বাড়িতে আগুন দেয়। তাদের ভয়েই পালিয়ে যায় গ্রামবাসীরা। 

রাখাইনে গণহত্যা, গণধর্ষণের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ছয় লাখের বেশি। বেসরকারি হিসেবে এই সংখ্যা আরও লাখ খানেক বেশি। এছাড়া আগে থেকেই চার লাখের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে থাকেন। সর্বমোট ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

ঘটনার শুরু গত ২৪ আগস্ট। ওই তারিখের দিনগত রাতে রাখাইনে পুলিশ ক্যাম্প ও একটি সেনা আবাসে বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এর জেরে ‘অভিযানের’ নামে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে। ফলে লাখ লাখ মানুষ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য চলে আসছেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৬ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৪, ২০১৭
আইএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa