ঢাকা, শুক্রবার, ৬ আশ্বিন ১৪২৪, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

bangla news

জাবিতে ৫ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ

জাবি করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৭-০৯-১৩ ৬:৩০:৪৪ পিএম
জাবি'র অভিযুক্ত পাঁচ শিক্ষার্থী: বাঁ দিক থেকে দ্বীপ বিশ্বাস, ডিউক (রাজস্বী) রায়, সজিবুল উপল, মাহাবুব শান্ত ও অরবিন্দ ভৌমিক

জাবি'র অভিযুক্ত পাঁচ শিক্ষার্থী: বাঁ দিক থেকে দ্বীপ বিশ্বাস, ডিউক (রাজস্বী) রায়, সজিবুল উপল, মাহাবুব শান্ত ও অরবিন্দ ভৌমিক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দুই পোষ্য শিক্ষার্থীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও ছিনতায়ের অভিযোগ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মাসুদ পারভেজ।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী।

অভিযোগ পত্রে তিনি উল্লেখ্য করেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) তার পরিবার, বন্ধু ও তার চাচাতো বোনকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে আসেন। সন্ধ্যার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তমঞ্চের কাছ থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী মাসুদের বন্ধুকে ডেকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজ মাঠে নিয়ে মারধর করে। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার নাম বলে ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তার কাছে থাকা মানিব্যাগ থেকে ২ হজার ৭শ’ টাকা, মোবাইল ফোন ও ঘড়ি কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে মাসুদ অপরাধীদের শনাক্ত করে।

অভিযোগকারীর মতে ছিনতাইকারীরা হলেন- ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মো. সজিবুল উপল, নৃবিজ্ঞান বিভাগের মাহাবুব শান্ত, ইতিহাস বিভাগের অরবিন্দ ভৌমিক, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের দ্বীপ বিশ্বাস, ইংরেজি বিভাগের ডিউক (রাজস্বী) রায়। 

তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম ব্যাচের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে সজিবুল উপল স্কুল ও কলেজের এক শিক্ষক ও মাহাবুব শান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ডেপুটি রেজিস্ট্রারের ছেলে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে সজিবুল উপল বাংলানিজকে বলেন, ‘আমি পাশে ছিলাম। দেখেছি তারা মাসুদ ভাইয়ের বন্ধুকে মেরেছে। তবে ছিনতাইয়ের বিষয়ে তিনি কিছু জানেনা বলে জানান। অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন বাংলানিউজকে বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা ছিনতাইয়ের বিষয়টি স্বীকার করেছে। তবে আমার নাম ভাঙিয়ে ছিনতাই কেনো করেছে তা অভিযুক্তকারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা শুধু আপনাকে ডেকে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়েছি। আপনার নাম করে টাকা দাবি করি নি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বাংলানিউজক বলেন, অভিযোগ অফিসে জমা দিয়েছে শুনেছি। তবে এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮২৯ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭
জিপি/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

FROM AROUND THE WEB
Alexa