[x]
[x]
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৪ মে ২০১৮

bangla news

দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিক‍া রাখবে পুঁজিবাজার

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৫-১৪ ৯:০৭:৩৮ পিএম
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত

ঢাকা: চীনা কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ডিএসইর চুক্তি দেশের পুঁজিবাজারের জন্য অবিস্মরণীয় দিন উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, এই চুক্তির ফলে পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিক‍া রাখবে।

সোমবার (১৪ মে) বিকেলে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে স্ট্রাটেজিক পার্টনার হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সঙ্গে চীনের শেনজেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন দীর্ঘমেয়াদে ইক্যুইটিতে বিনিয়োগ করে না। ফলে উদ্যোক্তারা পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করবে। সেজন্য পুঁজিবাজারকে ভালো করতে এরইমধ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন সংশোধন করেছে। নতুন করে ডিএসইর সঙ্গে চীনের দুই পুঁজিবাজারের চুক্তি হয়েছে। এগুলো মিলে আগামীতে পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে।

চীনা দুই স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে অংশীদার হওয়ায় ধন্যবাদ জানিয়ে মুহিত বলেন, দেশের পুঁজিবাজারে চীনের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাড়বে। চীনও বাংলাদেশের মতো একটি ভালো বাজারে প্রবেশ করলো। কাজেই দুই দেশ মিলে একটি ভালো পুঁজিবাজার গড়ে উঠবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খায়রুল হোসেন বলেন, চীনা দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ডিএসইর সঙ্গে চুক্তি হওয়ায় দেশের পুঁজিবাজারে ইমেজ সংকট দূর হবে। বাজারে সুশাসন ও করপোরেট কালচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।

বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বাড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশিরা আসতে আকৃষ্ট হবেন। বাজারে তারল্য সংকটও কমে যাবে।

তিনি আরো বলেন, বহুজাতিক ও নতুন নতুন কোম্পানি আনতে কাজ করবে চীনা কনসোর্টিয়াম। বিদেশি বিনিয়োগ (সরাসরি ও পোর্টফোলিও) নিয়ে আসবে। এই দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে একটি গতিশীল পুঁজিবাজারের পথে এগুলো বাংলাদেশ।

শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট ও সিইও ওয়াং জেনজুন বলেন, এই কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে দুই দেশের পুঁজিবাজার ও ব্যবসা-বাণিজ্য বিষয়ক তথ্য আদান-প্রদান সুবিধা হবে। দুই দেশের মধ্যে কো-অপারেশনের মাধ্যমে পুঁজিবাজারকে এগিয়ে নেওয়া হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতি ক্রমেই এগিয়ে চলেছে। কাজেই পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জোর সাপোর্ট থাকবে। প্রযুক্তি ও অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি পুঁজিবাজারে কোর ডেভেলপমেন্টে সহায়তা করা হবে।

তিনি বলেন, ১৯৯০ সালে শেনজেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ চালু হওয়ার পর ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুঁজিবাজারে পণ্যের ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারেও উন্নয়ন করা হবে। এছাড়াও এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ প্রসারিত হবে।

স্বাগত বক্তব্যে ডিএসইর চেয়ারম্যান আবুল হাশেম বলেন, ২০১৫ সালে কৌশলগত বিনিয়োগকারী খোঁজা শুরু করি। অনেক যাছাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে শেনজেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের কনসোর্টিয়ামকে নির্বাচন করা হয়েছে।

এরপর চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় অন্যদের মধ্যে বিএসইসির কমিশনার, ডিএসইর পরিচালক ও সদস্য, সিএসইর এমডি এবং পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ২১০০ ঘণ্টা, মে ১৪, ২০১৮
এমএফআই/জেডএস

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa