[x]
[x]
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ আষাঢ় ১৪২৫, ২১ জুন ২০১৮

bangla news

ঠিকাদারদের কারণে আমাদের গালি দেয়, অর্থমন্ত্রীকে ফরাজী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১৮-০৩-১১ ৮:৫৫:২৬ পিএম
এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিতের সভা। ছবি: সুমন শেখ

এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিতের সভা। ছবি: সুমন শেখ

ঢাকা: ‘অর্থমন্ত্রী, আমরা রাস্তায় চলাচল করলে জনগণ শুধু আমাদের গালি দেয়। অনেকে বলে, এমপি কি মরছে না বাঁচছে! আমাদের এমন গালি দেয়, আপনি শুনলে, আপনার মেজাজ খারাপ হয়ে যাবে অর্থমন্ত্রী।’
 
 

রোববার (১১ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের নিয়ে প্রাক-বাজেট আলোচনার জন্য এ সভার আয়োজন করা হয়।
 
অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, ‘ঠিকাদার রাস্তা খারাপ করে বানায়, আর গালি খাই আমরা।’
 
‘অনেক মন্ত্রণালয়ে টাকা-পয়সা দুর্নীতি হয়। দুর্নীতিবাজেরা মারা গেলেও তাদের হাঁড় কবর থেকে তুলে বেঁচে দিন অর্থমন্ত্রী।’
 
সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ঠিকাদারদের একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। তিন কিলোমিটার সড়কের মধ্যে এক কিলোমিটার বাকি রেখে চলে যায়। পরে এসব ঠিকাদারদের সার্চ লাইট দিয়ে খুঁজে পাই না। এসব ঠিকাদারদের কারণে আমাদের গালি খেতে হয়।’

সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আগামী বাজেটে রেলখাতকে গুরুত্ব দিতে হবে। টেকসই উন্নয়নে রেলের বিকল্প নাই। বর্তমানে ঢাকা-খুলনা রুটে দৈনিক এক জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এটা আরও বাড়াতে হবে দৈনিক রেলপথে যাত্রী বাড়াতে হবে।’
 
মেহেরপুরের মুজিবনগরের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত মুজিবনগরে কোনো শিল্প কারখানা নেই। এই এলাকায় কর্মসংস্থান বাড়তে শিল্প-কারখানা করে দিতে হবে।’ 

দীর্ঘদিন ধরে মুজিবনগরে রেলপথ প্রকল্পের কাজ ঝুলে আছে, এটা বাস্তবায়ন জরুরি বলে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ফরহাদ।
 
সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিদেশ থেকে দুধ আমদানি বন্ধ করতে হবে। দেশীয় খামারিদের বাঁচাতে হবে।’
 
চালের দাম কমানো প্রসঙ্গে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি গবেষণা করে দেখেছি প্রতিকেজি চালে উৎপাদন খরচ মাত্র ২৩ টাকা। এর সঙ্গে মিলার ও ফড়িয়া বাবদ ১০ টাকা খরচ হলেও চালের দাম ৩৩ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। এ বছর চাল কেনা বাবদ ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে ১০ হাজার কোটি টাকা চলে গেছে। এটা কৃষকদের ভর্তুকি দিলে আমরা আরও লাভবান হতাম।’
 
অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, আ ফ ম রুহুল হক, বেগম আখতার জাহান, অ্যাডভোকেট নাভানা আক্তার, আবদুর রউফ, আবদুস শহীদ প্রমুখ।
 
বাংলাদেশ সময়: ২০৪৯ ঘণ্টা, মার্চ ১১, ২০১৮
এমআইএস/এইচএ/

** নির্বাচনী বছরে উচ্চাভিলাষী বাজেট নয়
** ‘হাজার টাকার নোট বাতিলের খবর রাবিশ’

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Alexa