চাঁদপুর : স্ত্রীর দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় ব্যারিস্টার জহির উদ্দিন বাবরের ১২ বছরের সশ্রম কারাদ- ২০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও পাঁচ বছরের কারাদ-াদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার দুপুর ২ টায় চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ সফিকুল করিম এ রায় দেন। তবে দ-াদেশপ্রাপ্ত বাবর উচ্চ আদালত থেকে ৬ মাসের জামিন নিয়ে পলাতক।
২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর চাঁদপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ব্যারিস্টার জহির উদ্দিন বাবরের বিরুদ্ধ মামলা করেন তার স্ত্রী ওহিদা সুলতানা ওমি (মামলা নং-২৪)।
মামলার এজহারে জানা যায়, ২০০৯ সালে ৯ অক্টোবর ওহিদা সুলতানার ওমির সঙ্গে ব্যারিস্টার জহির উদ্দিন বাবরের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর বাবর ঢাকায় চেম্বার করার জন্য ওমির বাবার কাছে ২৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন।
যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় ওমির ওপর শারীরিক নির্যাতন চালান বাবর। এক পর্যায়ে গলাটিপে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ সময় বাবর কামড় দিয়ে ওমির বাম কানের কিছু অংশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন।
খবর পেয়ে ওমির মা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ওমিকে দু’বার সিঙ্গাপুরে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। এ ঘটনায় মামলা বাবরের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওমি।
বাংলাদেশ সময়: ২০৩৬ ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০১২
প্রতিবেদন: কাদের পলাশ
সম্পাদনা: রোকনুল ইসলাম কাফী, নিউজরুম এডিটর