 |
ঢাকা: রমজান না আসতেই বাজারে হু হু করে ভোজ্যতেল এবং ডালের দাম বাড়তে শুরু করেছে। তবে কমেছে চিনির দাম।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে গত ১ সপ্তাহের ব্যবধানে এই সমস্ত জিনিসের দাম বাড়তে শুরু করেছে।
ভোজ্যতেলের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে লিটার প্রতি বেড়েছে ২ টাকা করে। ১ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৩২ থেকে ১৩৪ টাকা লিটার।
১ সপ্তাহ আগে ৫ লিটার বোতলজাত তেলের দাম ছিল ৬৬০ টাকা এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭০ টাকা।
অপরদিকে, বিভিন্ন ধরনের ডালের দামও চড়া। মশুর ডাল বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১০৬ থেকে ১১০ টাকা কেজি যা এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৬ থেকে ১০ টাকা করে।
সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে ছোলার। ছোলা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়।
কেজি প্রতি খেসারির ডাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা ।
মুগ ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০৮ টাকা থেকে ১১০ টাকা করে। তবে মুরগির দাম স্বাভাবিক রয়েছে। কেজি প্রতি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকা থেকে ১৮০ টাকা দরে।
১ টি ৮শ গ্রামের দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা।
প্রতিটি ৮শ গ্রাম পাকিস্তানি কক মুর্গি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা থেকে ১৯০ টাকা, লেয়ার কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে একই দরে।
গরুর মাংস কেজি প্রতি ২৭০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে, খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকা করে।
তবে ডিমের দাম আগের সপ্তাহের মতোই রয়েছে। সাদা ডিমের হালি ৩৮ টাকা, লাল ডিম ৩৮ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।
তবে রমজানের প্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে কমেছে চিনির দাম। যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৫২-৫৪ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এটি ছিল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা।
নতুন চালের দাম কমলেও পুরান চালের দাম এখন আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি ধরনের চাল বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকা থেকে ৩০ টাকা। নাজিরশাইল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৪০ টাকায়। মিনিকেট নতুন চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকা এবং পুরান মিনিকেট ৪০ টাকা।
সবজির দাম বেড়েছে। পটল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২৮-৩০ টাকা, করলা ৩৫-৪০, গাজর ৩৫ টাকা, আলু ২২, বরবটি ৩০, বেগুন ৪০, গাজর ৩৫, চিচিংগা ২৫ থেকে ২৮ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
তবে পেঁপের দাম কমেছে এখন কেজিপ্রতি ২৫-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৫২৭ ঘণ্টা, জুন ২০, ২০১২
এনএস/সম্পাদনা : আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর