 |
মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করার অপরাধে ‘এমভি বন্ধন-৭’ নামে এক লঞ্চকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অপরদিকে, এর কিছুক্ষণ পর অপর একটি লঞ্চ এমভি সুন্দরবন-৫ অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই থাকলেও ঢাকা জেলার এডিসির সুপারিশে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই লঞ্চটিকে ছেড়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবণী চাকমা এমভি বন্ধন-৭-এ জরিমানা করেন এবং এমভি সুন্দরবন-৫ নামে অপর একটি লঞ্চকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার পর সুপারিশের কারণে জরিমানা আদায় ছাড়াই ছেড়ে দেন।
এ সময় লঞ্চটির সারেংকে আটক করে সদর থানায় নিয়ে আসা হলে পরে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করে এমভি বন্ধন-৭ বরগুনার উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। পথিমধ্যে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় যাত্রী ওঠানোর আশায় লঞ্চটি ধলেশ্বরী নদীর মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে নোঙর করে।
এ সময় সদর উপজেলা এসি(ল্যান্ড) লাবণী চাকমার নেতৃত্বে মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে লঞ্চটিকে জরিমানা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এর পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই এমভি সুন্দরবন-৫ নামে অপর একটি লঞ্চ মুন্সীগঞ্জ লঞ্চঘাটে নোঙর করে আরও যাত্রীবোঝাই করছিল।
এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক লাবণী চাকমা এমভি সুন্দরবন-৫ লঞ্চের সারেংকে আটক ও লঞ্চটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
এর পর ঘোষিত জরিমানার টাকা আদায়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে ভ্রাম্যমাণ আদালত নির্দেশ দিলে লঞ্চে থাকা যাত্রী ঢাকা জেলার এডিসি মাসুদ করীম ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবণী চাকমার কাছে জরিমানা ছাড়াই লঞ্চটিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। এতে আটক সারেং ও লঞ্চটিকে জরিমানা না করেই ছেড়ে দেয় আদালত।
এবিষয়ে সদর এসি (ল্যান্ড) লাবণী চাকমার সেলফোনে ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। রাত পৌনে ৯টায় তার সেল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে সদর থানার উপপরিদর্শক(এসআই) সিদ্ধার্থ জরিমানা না করে এমভি সুন্দরবন-৫ ছেড়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২২৩ ঘণ্টা, আগস্ট ১৬, ২০১২
সম্পাদনা: আশিস বিশ্বাস, অ্যাসিস্ট্যান্ট আউটপুট এডিটর