 |
১.
লেপ-তোষকের তুলতুলে ভাবালুতা
পর্যায়ক্রমে,
অথবা মাংসে মাংসে ধ্বস্তাধস্তি শেষে
আমি আবার তোমার আলিঙ্গনের কাছে ঈশ্বর হতে চাই না।
আমি তাদের কাছেই বরং পরাজিত হবো
যারা নিজেদের নিশ্চয়তায় সাক্ষ্য দেবে।
২.
আ-শব্দ। আ-মৃত্যু। আ-জন্ম। আয়োজন।
শব্দ মানেই দ্রোহ
শব্দ মানেই জন্ম আয়োজন
এই বোধ।
এই যুদ্ধ। এমন বাতায়ন কার গায়ে ঘেষে...?
আ-আমি। আ-আমরা। আ-কুল। আয়োজন।
৩.
অধীনতা পতনের পর
সমস্বরে আমিও তো তোমাকে বলেছি-
কাক মানে এখন আর
কোন বিষণ্ন-বিমূঢ় কোন পাখির নাম মনে আসে না।
বলতে পারো,
আমার ফ্রেমের কাঠামো আর কতোদূর বিস্তৃত হলে
তোমার স্বাধীনতা হবে না লুণ্ঠন?!
শিরোনাম নেই
১.
আমার এক চোখ আরেকটি চোখকে তাড়া করছে প্রতিনিয়ত
ক্রমশ বাম থেকে ডানে, ডান থেকে বামে, উপরে নিচে, সবদিকে।
আমি তার মাঝ বরাবর একটা আলপিন ফুটিয়ে রেখেছি।
২.
তোমার রক্তমাংসের মধ্যে বেড়ে উঠছিল বিষণ্নতা কেবল।
তবু আমি সকল বিপন্নতার ভিড়ে তোমায় খুঁজেছি।
অনুভূতি আমার ঝাপসা মেঘের মতো
ছুটছিল সব দূর স্টেশন।
কিন্তু সেবার,
তোমাকে ফালা ফালা করে কেটে, আমি আর জোড়া লাগাতে পারিনি।
জ্যামিতি আমি বুঝিনা
এমনকি নির্মাণের ধ্যানও আমার কখনো ছিলনাকো।
তোমাকে ব্র্যাকেট-এ রেখে,
`ইকুয়াল টু`-এর দুদিকেই
আমি যথাযোগ্য নিয়মে কাটাকুটি করি।
পৃথিবীর সব শাসনের প্রতি তখনও অসৎ ছিলাম আমি।
এখন বাতাস ছেড়ে ঘুড়ির টানের মতো
আর একের পর এক সব খোসা ছাড়াবার মতো
আমারও ক্ষরণ জন্মেছে রকমফের ভালোলাগার কাছে।
শিরোনাম নেই-২
১.
আমাকে ভুলতেই হবে শস্যের মালিকানা...
মালিকানা...!
আণবিক জরায়ুর দাহ, সোজা রাখতেই হবে ধানের শিরদাঁড়া
আমিষ কুটুম্বে করছি যদিও তার রহস্যবিচার।
আর শ্রমসুর
পুরোটা দিনের মজুর,
প্রতিদিন বুকের আয়তন
ছিঁড়ে ফেলার মতোন সহজ অভ্যাসে।
2.
সব নদী চিরকাল দূরবর্তীয় থেকে যাবে,
নদীর নকশায়, পৃথক কোন বিরুদ্ধস্রোত আঁকা নেই বলে নয়,
ফুরিয়েছে তার জন্ম আয়োজন।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫০ ঘণ্টা, ০৮ জুলাই, ২০১২