 |
ঢাকা : ইউরোপ সফরে পৌঁছে মিয়নামারের জনগণকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন নোবেল বিজয়ী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি।
ইউরোপ সফরের প্রথম দিনে সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সু চি তার এ ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। এ সময় মিয়ানমারের জাতিগত দাঙ্গা, রাজনৈতিক সংস্কার এবং দেশটিতে নতুন বিদেশী বিনিয়োগ নিয়েও বিস্তারিত কথা বলেন তিনি।
এদিন সু চি লন্ডন স্কুল অব ইকনমিকসে এক বিতর্কেও অংশ গ্রহণ করেন বলে জানা যায়।
প্রসঙ্গত, দু’সপ্তাহের ইউরোপ সফরে মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন সু চি। ১৯৮৮ সালের পর এই প্রথম যুক্তরাজ্যে আসলেন তিনি।
এর আগে নিজের নোবেল পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে নরওয়েতে অবস্থান করছিলেন সু চি।
মিয়ানমারের এই গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী দীর্ঘ দু’দশক গৃহবন্দীত্বের পর আন্তর্জাতিক চাপের ফলে ২০১০ সালের শেষ দিকে মুক্তি পান। তৎকালীন সেনা সরকার সু চিকে এ সময়কালে গৃহবন্দী করে রাখে।
রাজনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে চলতি বছরের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বিজয়ী হয় সু চির দল। এর পরই বিদেশ সফরে বের হন সু চি। থাইল্যান্ড সফরের মধ্য দিয়ে এ প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ঘণ্টা, জুন ২০, ২০১২
সম্পাদনা: শামসুন নাহার, নিউজরুম এডিটর