ঢাকা: এগিয়ে থেকেও গ্রিসের বিপক্ষে জয় না পাওয়ার জন্য প্রত্যাশার চাপ ও অনভিজ্ঞতাকে দায়ী করলেন পোল্যান্ড কোচ ফ্রান্সিজেক স্মুদা। তিনি মনে করেন, স্বাগতিক হিসেবে প্রত্যাশার চাপে ভেঙ্গে পড়েছিলো তারুণ্যনির্ভর পোল্যান্ড। আর এ কারণেই দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয় গ্রিস। অন্যদিকে পিছিয়ে থেকেও পয়েন্ট ভাগাভাগিতে খেলোয়াড়দের কৃতিত্ব দিয়েছেন গ্রিস কোচ ফার্নান্দো সান্তোস।
পোল্যান্ড কোচের মতে, অনভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশার চাপ দলের কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কে অবশ করে দিয়েছিলো। সে জন্য দারুণ শুরু করেও দ্বিতীয়ার্ধে ছন্দ হারিয়ে ফেলে এবং অভিজ্ঞ গ্রিসের বিপক্ষে কুলিয়ে উঠতে পারেনি। তবে ড্র’য়ে সন্তুষ্ট স্মুদা বলেন,‘দলের সকল খেলোয়াড়কেই আমি অভিনন্দন জানিয়েছি এবং তাদেরকে আমোদ করতে বলেছি। কারণ হেরে যাওয়ার চেয়ে এটা অনেক ভাল ফলাফল। ড্র’র মধ্যদিয়ে আমাদের লড়াইয়ের দরজা খোলা রইলো।’
পোল্যান্ড কোচ বলেন,‘আমাদের প্রস্ততি ভাল ছিল। তবে চাপ ও দুশ্চিন্তার মধ্যেও থাকতে হয়েছে আমাদের। ভেবে দেখুন, যে দলটি কখনও বড় কোনো প্রতিযোগিতা খেলেনি, তাদের জন্য চাপের বোঝা কতটা ভারী। যেখানে গ্রিসের বিশ্বকাপ ও ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাদের হারানোর কিছু নেই। এ কারণেই বিরতির পর প্রথমার্ধের মতো খেলতে পারিনি আমরা। চাপের ভারে দলের কিছু খেলোয়াড়কে নুইয়ে পড়তে দেখেছি।’
অন্যদিকে গ্রিস কোচ ফার্নান্দো সান্তোস বলেন,‘শুরুতে ছন্দ পেতে সমস্যা হচ্ছিলো আমাদের। প্রথম ২০-২৫ মিনিটে যাচ্ছে তাই খেলেছি। তবে দ্রুতই আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি এবং খেলোয়াড়রা দারুণ কাজ করেছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে পুরোপুরি ভিন্ন ফুটবল খেলেছি আমরা। খেলোয়াড়রা দৃঢ়তার সঙ্গে লড়াইয়ে ফিরেছে। একটি গোল পরিশোধের পর আরও একটি গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিলো। দুভার্গ্য যে, পেনাল্টি থেকে আমরা গোল করতে পারিনি, গোলটা পেলে ম্যাচের ফলাফল ভিন্ন হতো। কিন্তু এটা খেলারই অংশ।’
বাংলাদেশ সময়: ১২৩১ ঘণ্টা, জুন ০৯, ২০১২
এএইচবি
সম্পাদনা: সেকান্দার আলী, বিভাগীয় প্রধান স্পোর্টস