রাজশাহী: বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে রাজশাহীতে পালিত হয়েছে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা হরতাল। পুলিশ ও র্যাবের কঠোর অবস্থানের কারণে রাজশাহীতে হরতাল সমর্থকরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে সুবিধা করতে পারেনি। এর পরও বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিল এবং পিকেটিং করেছে।
হরতালের শেষ বেলায় মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজশাহী মহিলা কলেজের সামনে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংগে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। নেতাকর্মীরা হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষে সংঘর্ষ বেধে যায়। কমপক্ষে তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান হরতাল সমর্থকরা। বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। এ ঘটনায় আহত হয় অন্তত ১০জন। পুলিশ ২জনকে আটক করে।
এর আগে দুপুরে মহানগরের কলাবাগান ও ডিঙ্গাডোবা এলাকায় তিনটি অটোরিক্সা ভাংচুর করে পিকেটাররা। এছাড়াও বিনোদপুর, কাজলা, সিটি বাইপাস, কাটিয়াডাঙ্গা মোড়সহ বেশ কয়েকটি স্থানে সকাল থেকে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করার চেষ্টা চালিয়েছে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও শিবির কর্মীরা। জেলার চারঘাট উপজেলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুঠিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমানসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। বাগমারায় উপজেলার ভবানীগঞ্জে উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ও এক বিএনপি সমর্থকের দোকান ভাংচুর করেছে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা।
এদিকে, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মহানগরের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকেই বিপুল পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা হয়। চলে র্যাবের টহল। মহানগর পুলিশ কমিশনার এস.এম মনির-উজ-জামান বিকেলে বাংলানিউজকে জানান, বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৯ ঘন্টা, ডিসেম্বর ১১, ২০১২
সম্পাদনা: রাইসুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর