সব শরীরে কবিতার বিভক্তি
সন্ধ্যাটুকু নেমে আসে কালো ওড়নায় বিনম্র প্রজাপতির পাখায়
চোখে দিনের রেনু মেখে, রাস্তার বাতিগুলো জ্বলে ওঠে সরলরেখায়
একে একে একেবারে
শহরে কি বসন্ত
শহরে কি বসন্ত নামে
আলো ঝলকে কেঁপে ওঠে আমাদের পরিব্রাজক নগরী
আমি ময়ূর চোখ খুলে দেখি অন্য নর্তকী অন্য ঘুঙুর অসভ্য শাহজাদী
সীমানা থাকে ছোঁয়ার দূরত্ব থেকে আড়াল
নাগরিক জ্যামিতি ভেঙ্গে ফেলে
অনিয়ম সরণীর পাশে তুমি দাঁড়াও ও রাই কিশোরী ও শাহনাজ
আমার চোখ চলে আকাশে
টাওয়ারের পাশ থেকে পৃথিবী শিশু সেই যীশু দুধভাত চাঁদ
খলবল শারীরিক বাঁক মধু বোঁটা স্থাপত্য গরাদ
মুঠো করে আলো মাখি তোমার চিবুকে স্নিগ্ধতার জড়ি পাড় শাড়ি
এসো মুড়ে রাখি তোমাকে
বাড়ি ফিরে এলে আর টাওয়ার দেখি না
দেখি না দ্বীপ
সারি সারি হোটেল হয়ে যায় আড়াল ট্যাক্সির মিটার, লন্ড্রি’র খুচরো কয়েন
আমার দুধুভাত নিষিদ্ধ খাজুরাহো ইয়াব্বড় চাঁদ
তবু জোছনা দেখি সেলাই কলের মতো তোমার শরীরে ডুবি
শিকারী আলোর চরণ কুসুমে আর তোমাকে দেখি না কসম একদম না
আমার নরোম কবি তোমাকে দেখি
অন্তনীলের জন্য কবিতা
তুমি কি দেখেছো আমাদের মাতাল প্রপাত ছিলো সন্ধ্যায়।
এতো জলের মিহি ছাট তোমার করতলে
বাহুমূল আর তোমার ঘুমন্ত দ্রাঘিমার নাকফুল,আহা
যদি এসে ছুঁয়ে যেত
বলো কি করে হারাবে সুখ আর অন্তনীল !
যদি আরো এসে মেখে দেয় কাননের বিভা
আমাদেরও থাকুক এই সন্ধ্যা,প্লাবিত সন্ধ্যা।
ও আমার মন্দির মসজিদের বাইরে থাকা সটান ভ্রুকুটি
আমার নির্মোহ কানন
শোনো, আমাকে যাতনা দিয়ো না প্রবল অনাগ্রহে
যদি রাজনীতির কোরাস এসে থেমেও যায়
যদি বাণ ডেকে নিভে যায় প্রেমাংশুর গতিপথ
যদি রাষ্ট্রপতি থামান তার অভিযান !
শোনো, তোমাকে খুশি করার জন্য পৃথিবীর সব খুশি ডাউনলোড করতে পারি আমি..
শোনো ..
বাংলাদেশ সময়: ১৭১৬ ঘণ্টা, ০৬ অক্টোবর, ২০১২