 |
| ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
গণজাগরণ চত্বর থেকে: যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের গঠিত গণতদন্ত কমিটির সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আব্দুল খালেক সংহতি জানিয়েছেন তরুণ প্রন্মের আন্দোলনে।
সোমবার রাত রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি শাহবাগের গণজাগরণ চত্বরে এসে সংহতি জানান।
এসময় আব্দুল খালেক বলেন, “নতুন প্রজন্ম বর্তমান সরকারকে ভোট দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় দিয়েছে। সে বিচার চলছে। আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড হবে। কিন্তু তা না হওয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি। আমরা কাদের মোল্লাসহ সকল রাজাকারের ফাঁসি চাই।”
তিনি তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমরা তোমাদের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত দিয়েছি।এই রাষ্ট্র তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। দেশকে সোনার বাংলা গড়ার দায়িত্ব তোমাদের সোনার ছেলেরা সোনার বাংলা গড়বে।”
পরে তিনি রাজাকারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতা কাদের মোল্লাসহ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের
আন্দোলনের সোমবার ছিল ১৪তম দিন। এই আন্দোলনের ঢেউ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে প্রবাসেও। নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছে।প্রতিদিনই যেনো বাড়ছে এ গণজোয়ারে আসা মানুষের সংখ্যা।
কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন সাজার রায় প্রত্যাখ্যান করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগ মোড়ে এই বিক্ষোভের সূচনা করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম। এরপর বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এ আন্দোলনে যোগ দেন।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় মহাসমাবেশ। ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় জাগরণ সমাবেশ। উভয় সমাবেশেই যোগ দেয় লাখো জনতা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে বলেও ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
বাংলাদেশ সময়: ১১৪২ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৩
এমআইএইচ/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর