 |
| ছবি: আশিক/ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
গণজাগরণ চত্ত্বর থেকে: রাস্তায় বিছানো ব্যানারে একটু ময়লা পড়েছে। পকেট থেকে রুমাল বের করে মুছে দিচ্ছেন এক ছাত্র। কি দারুণ দরদ, এই না হলে কি গণআন্দোলন!
আজিজ সুপার মার্কেট থেকে শাহবাগ মোড়ে বিশাল আকারের ব্যানার বিছিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগ। ১৯৭১ বর্গফুটের এই ব্যানারটিকে ঘিরে শিক্ষার্থীর এই দরদে সালাম জানান এক মুক্তিযোদ্ধা।
বলে ওঠেন, “বাবা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ করা সার্থক মনে হচ্ছে। এতদিন মনে হত কি জন্য যুদ্ধ করলাম আর কিইবা পেলাম।কিন্তু আজ মনে হচ্ছে সঠিক কাজই করেছি।”
ব্যানারটিতে লেখা হয়েছে, “১৯৭১ এ পেরেছি, ২০১৩ তে পারবো। সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যূদণ্ড হবেই। কারণ ১৯৭১’র রেসকোর্স ময়দানই ২০১৩ তে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর।
বিশাল আকারের এই ব্যানারটি গণস্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। বিশাল আকারের ব্যানারটি এরই মধ্যে স্বাক্ষরে ভরে গেছে। তারপরও অনেকে চাইছে নিজের ক্ষোভ ঝাড়তে। কোথাও এক চিলতে ফাঁকা পেলেই লিখছেন মনের আবেগ ও দাবির কথা।
ব্যানারকে ঘিরে স্লোগানে মুখরিত মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা। মুহুর্মূহু স্লোগানে প্রকম্পিত করছে গোটা শাহবাগ এলাকা।
দিপ্ত নামের এক শিক্ষার্থী জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগ ছাড়ছি না। ব্যানারটির উপর পড়া গাছের পাতা কুড়াচ্ছিলেন ছাত্রটি। যেন বুক দিয়ে আগলে রাখতে চান প্রাণের দাবির এই ব্যানার।
গণআন্দোলন দিনে দিনে প্রাণের আন্দোলনের দিকেও যাচ্ছে। এই কর্মকাণ্ড তারই প্রমাণ।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৩৭ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৩
ইএস/সম্পাদনা: জনি সাহা, নিউজরুম এডিটর/জেডএম