ঢাকা: নানা অনিয়মের কারণে মূল মার্কেট থেকে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে পাঠানো হয় বিভিন্ন কোম্পানিকে। ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে(১-১৫ ডিসেম্বর) ওটিসি মার্কেটে ২ কোম্পানির মোট লেনদেন হয়েছে মাত্র ৭ হাজার ৫০ টাকা।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, ১০ টাকা ফেসভ্যালুর প্রতিটি শেয়ার ৫ টাকা দরে এপেক্স ওয়েভিং কোম্পানির ১৩০টি শেয়ার (অড লট) ৬৫০ টাকায় এবং মুন্নু ফেব্রিকস কোম্পানির ২ হাজার শেয়ার ৩ দশমিক ২০ টাকা দরে ৬ হাজার ৪শ টাকায় লেনদেন হয়েছে।
এছাড়া উক্ত সময়ে ওটিসি মার্কেটের আরও ৩১টি কোম্পানির মোট ৩ লাখ ৫১ হাজার ১৬৮ টাকার শেয়ার বিক্রয়াদেশ রয়েছে।
কোম্পানিগুলোর মধ্যে- আল-আমিন কেমিকেলসের ৮ হাজার, আমাম সি ফুড ২৪টি, এপেক্স ওয়েভিং ৫৫ হাজার ৩৮০টি, আশরাফ টেক্সটাইল ৯ হাজার ৪০০টি, বিসিআইএল ১ হাজার, বিডি লাগেজ ৩০০টি, বেক্সিমকো লি. ৭০টি, ঢাকা ফিশারিজ ২ হাজার ৩০০টি, ডাইনামিক টেক্সটাইল ১ হাজার ৯০০টি, ঈগল স্টার ৬০০টি, এক্সেল সু ৪০০টি, গাচিহাটা অ্যাকুয়াকালচজার ৭ হাজার ৭৫০টি, ম্যাক পেপার ১ হাজার ২০০টি, ম্যাক এন্টারপ্রাইজ ২ হাজার ৪০৯টি, মিতা টেক্সটাইল ৫০০টি, মেঘনা শ্রিম্প ১ হাজার ৯০০টি, নিলয় সিমেন্ট ৫ হাজার ৪০০টি, মুন্নু ফেব্রিক্স ৪ হাজার ৫০০টি, মুনা ফুড ২ হাজার ১০০টি, মুনুস পুল ২০টি, পদ্মা সিমেন্ট ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫০০টি, রহমান কেমিকেলস ৪ হাজার, পারফিউম কেমিকেলস ২৫০টি, ফার্মাকো ইন্টারন্যাশনাল ৫টি, রাঙ্গামাটি ফুড ১৩ হাজার ৫০০টি, রোজ হ্যাভেন বলপেন ২২ হাজার ২৫০টি, শ্রীপুর টেক্সটাইল ৮ হাজার ৪০টি, থেরাপেটিক্স ৭০টি এবং ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়স ১৯ হাজার ৭০০টি শেয়ার বিক্রির জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছে। যার মোট বাজার মূল্য ৩ লাখ ৫১ হাজার ১৬৮ টাকা।
আরও জানা যায়, ২০০৯ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওটিসি মার্কেট চালু হয়। তারপর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মোট ৬৮টি কোম্পানিকে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৪৬ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৭, ২০১২
এসএনএইচ/সম্পাদনা: বেনু সূত্রধর, নিউজরুম এডিটর