 |
যে-তুমি আমায় দ্যাখো যেন আমি তোমাতে সঁপেছি
আমার গমনবিন্দু, তুমি তবু যাত্রা-অসঙ্খ্যতা—
বাঁশের কেল্লায় ব’সে বাঁশ খায় নগ্ন তিতুমির,
আসমানি ঘাসের মাঠে ম’রে আছে দুর্মর কুমির—
পায়ে-পায়ে এত মড়া, কোথা থেকে এসেছে এত-রা,
কোথা থেকে গন্ধ বয় অভিশপ্ত দোলনচাঁপার,
জয়দেব, তুমি বলো, তুমি বলো লবঙ্গলতায়
ইলেক্ট্রা ওয়েট্রেস মোছে রক্তদাগ আবিল টেবিলে,
আমার তৃতীয় পাত্র তার রুগ্ণ জিজ্ঞাসার ভুরু—
জয়দেব, তুমি বলো আমি আলতো মুছে যাব কীনা,
টিটিকাকা মাচুপিচু গুলে যাবে কীনা সে-ধোঁয়ায়,
যদি সে-প্রচণ্ডা হাসে, যদি তার বত্রিশ ব্যঞ্জন
মিসরিয় ধম্মিল্লের প্যাঁচ খুলে রোদ্দুরে গড়ায়
ডিস্টিল্ড স্টেলার ঝাঁঝে, আমি তবু নেব কি খচিয়ে
হায়ারোগ্লিফিক এই কফিনের ভয়াল ডালায়
উপাংশুহত্যার মতো দুপুরের দীপ্র তমসায়?
জয়দেব, তুমি বলো, আত্মা— তুমি দেখেছিলে তাকে?
বহিত্রচালনা, জানত য়ুলিসিজ, শুধু জানত না সে
বাঁকাজল কেন বাঁকা, জানত না সে মেম্ফিসের রাত,
জানত না সে মৃতের পুস্তক, ঐ বালুশুষ্ক জল
সাপের দাঁতের মতো ঝলসে উঠে কেন নিভে যায়—
মেঘনাদের যজ্ঞাগারে ঢুকে পড়ে মামাটাস মেঘ,
জয়দেব— টেনচটিটলানে আমি ঘুমিয়ে ছিলাম,
জোকাস্টা, তোমার গর্ভে, আমাকে আবার টেনে নাও।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১৫ ঘণ্টা, ১৭ আগস্ট, ২০১২
সম্পাদনা: এম জে ফেরদৌস