 |
কবিতা! ওম!
স্তব্ধতা পেরিয়ে এসে সমর্পণ করি। শিয়রে জেগে থাকে রাত্রির জানালা, বোবা চুলে চুমু খায় বাতাস। কখনো-সখোনো পাঁচিল ডিঙিয়ে চুপচাপ ঢুকে পড়ে একটি নিতান্তই নিরীহ উদ্যান। দু`টো বেলুন ফসকে যায় জলে। আমি শূন্যতায় তাকিয়ে থাকি, আরো দশটা ফানুস উড়ে যায়। আকাশ বিভাজিত হয়, ক্রমাগত অপেক্ষার ট্রেনে জ্বলে ওঠে লণ্ঠন। জানালার ওপারে ওড়ে বিষণ্ন চুল, মৃদু দুলুনিতে চোখ বুঁজতে বুঁজতে আমি হেসে উঠি ভোর। যেখানে পাহাড় আছে, ঝরনার সঙ্গমে আরো রমণীয় হয় জীবন। পদ্মের বুকে ওম খোঁজে উদ্বাস্তু-সাপ।
কবিতার স্তনে আজো বুনো ঘ্রাণ, সাঁওতালী মেঘ।
অপেক্ষাতুর
দৃশ্যত যা বাড়াবাড়ি
বাস্তবে তা বুকের জৈবিক জ্বর
অযথাই ওম খোঁজে বিলেতি কুকুর
স্বেচ্ছায় পুড়ে যায় খড়
মেঘের বসতবাড়ি!
আমি এই ঝিলের পাড়ে একলা বসে থাকি
সন্ধ্যাগুলো লণ্ঠন জ্বেলে যায়...
বর্ষায় স্মৃতিকাতরতা (বৃষ্টি হচ্ছেনা…)
সঙ্গম-স্মৃতি ততোটা জোরালো নয়
তবে মেঘের অস্পষ্ট কিছুটা হাত আছে।
আমরা মরে যাই (নয়তো গিয়েছিলাম), ভেসে যাই
মাঝরাতে বাদুড় হয়ে যাই
লটকনের মতো লটকে থাকি গাছে
পাতাদের সাথে লটর-পটর করি।
অথবা আমরা ছিলাম পদ্মের শঙ্খ
গোপন ঘুঙুর বাজাই জলীয় প্রস্তাবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩১৩ ঘণ্টা, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২