রাতলিপি-১
অবিন্যস্ত ভাবনার পাহাড়
জমাট অন্ধকারে ইতিউতি উড়ে চলে নিশাচর পতঙ্গ
অতল অন্ধকারে পথ হাতরায়, অন্ধ এক ভিক্ষুক
রাত্রির অর্গল নাড়ে সময়ের ঘণ্টা-
আবছায়া ব্যালকনির গ্রিল ধরে কাটে নির্ঘুম রাত
মাঝে মাঝে শিউরে উঠি অজানা আশঙ্কায়
ভোরের বাতাস কোন নয়াদুর্যোগ নিয়ে আসে।
রাতলিপি-১
দিন যায় রাত আসে
কবুতরের খোপে প্রহর পোহায়
মানুষ যুথচারী, সেই কবে কোন কালে ছিলো
বিচ্ছিন্নতাই এখন যুগধর্ম
সক্কলে ব্যস্ত নিজের গুহায়।
শিশুটি জানে না নগরনিয়ম
সঙ্গীর খোঁজে সারাবেলা উৎসুক
চিল-চিৎকারের ক্লান্তিতে ঘুমায় শিশু
কান্নার জলে ভেজা পেলব ত্বক ।
স্ফুলিঙ্গ
বৃষ্টিভেজা ম্যাচবাক্স নিয়ে প্রবল প্রতাপে স্বপ্নে বিভোর
আগুন জ্বলবেই
তুমি কী ভেবেছিলে?
সময়ের নিয়ম ভাঙ্গবেই
কোথাও না কোথাও স্ফুলিঙ্গ?
হায় এবার কাক ভেজা রাজপথে জবুথবু
তোমাকে পেরিয়ে ধাবমান চকচকে চৌচক্রযান,
ছাতার নিচে নিরাপদ পথচারী,
হুডতোলা রিক্সায় রঙ্গীন পলিথিনের বুহ্যে সুসজ্জিত তরুনী-
তোমাকে পেরিয়ে যায় সময়....
ওরা জানেনা, স্ফুলিঙ্গটা আসলে তুমি নিজেই-
অস্থির সময় জ্বলবেই, আজ নয়তো কাল, জ্বলবেই।
বাংলাদেশ সময়: ১৬০৫ ঘণ্টা, ১৭ আগস্ট, ২০১২
সম্পাদনা: এম জে ফেরদৌস