নন্দিত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না-ফেরা দেশে। তবে তার রেখে অসংখ্য সৃষ্টির মাঝে বেঁচে থাকবেন তিনি। এই কিংবদন্তি লেখকের লেখা শেষ চিত্রনাট্য নিয়ে নির্মিত টেলিছবি ‘যদি ভালো না লাগে তো দিও না’ নিয়ে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। চ্যানেল আইতে প্রচারের অপেক্ষায় থাকা এ টেলিছবিটিকে অনেকেই এবারের ঈদের সেরা আর্কষণ মনে করছেন।
আমেরিকায় ক্যান্সার চিকিৎসাধীন থাকার মাঝেই গত মে মাসে মাত্র ২০ দিনের জন্য দেশে এসেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। এ সময়ই তিনি চ্যানেল আইয়ের জন্য ‘যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন’ নামের এই চিত্রনাট্যটি লিখেছিলেন। পরিচালক রায়হান খান এটি নিয়ে নির্মাণ করেছেন টেলিছবি।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভার লেক লেমন, লুসান, সেনিল দ্য ব্যুসি, প্লাইমপালস, রু দি মন্ট ব্লানকসহ সেখানকার বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে টেলিছবিটির শুটিং হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন নোবেল, পূর্ণিমা, সুইস মডেল ও অভিনেত্রী শেনিন ডমেনিক অ্যালেরি, মাসুদ আখন্দ প্রমুখ।
‘যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন’ টেলিছবিটি প্রচার হবে ঈদের দিন বেলা ১২টা ০৫মিনিটে চ্যানেল আইতে।
টেলিছবিতে দেখা যাবে, দেশের খ্যাতনামা অভিনেত্রী ও মডেল নীলা। স্বামী নাইমের অসীম ভালোবাসার পরও নীলার একটাই আক্ষেপ যে, বিয়ের আগে নাইমের ইউরোপে অধ্যায়নরত অবস্থায় প্রণয় ছিল অসাধারণ রূপবতী সুইসকন্যা ইরিণার সঙ্গে। নীলা ও নাঈমের বিয়ের রাতে আত্মহত্যা করে ইরিণা।
এই নিয়ে জটিলতা তৈরি হয় নীলা মধ্যে। জটিলতা থেকে মুক্তির জন্য নাইমকে সে ডিভোর্স দেয় এবং একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের শুটিংয়ে পাড়ি দেয় সুইজারল্যান্ড। কিন্তু এতো দূরে নীলা মুক্তি পায়। তার অবচেতন মনে একের পর এক ভেসে উঠে রহস্যময় আর অদ্ভুত সব ঘটনা। কখনো নীল দেখতে পায় আত্মহত্যার আগে ইরিণার করুণ চোখের চাহনী, কখনো আবার দেখতে পায় হাতে হাত রেখে গভীর কুয়াশার ভেতর হেঁটে যাচ্ছে ইরিণা আর নাইম।
বাংলাদেশ সময় ২০৪৫, আগস্ট ১৬, ২০১২ সম্পাদনা : বিপুল হাসান, বিভাগীয় সম্পাদক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।