 |
| ছবি: সবিতা রহমান /বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা : বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুক প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেছেন, আগামী ২৭ তারিখের সংসদ অধিবেশনের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াতের পরপরই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনঃসংযোজন করুন। নইলে ১০ জুনের আল্টিমেটাম শেষ হলে কঠোর কর্মসূচি আসবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচনের চিন্তা দেশের মানুষ কোনোদিন সফল হতে দেবে না।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন জয়নুল আবদীন ফারুক।
ইলিয়াস আলী ও তার ড্রাইভারের সন্ধান এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১৮ দলীয় জোট নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
আধাঘণ্টার কিছু বেশি স্থায়ী মানেববন্ধনে দেওয়া বক্তব্যে ফারুক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের উদ্দেশ্যে বলেন, যে কোনো স্থানে যে কোনো সময় আমরা আলোচনায় বসতে চাই। কিন্তু সেক্ষেত্রে আলোচনার বিষয়বস্তু হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, অন্য কিছু নয়।
ফখরুলসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফারুক বলেন, তাদের না ছাড়া হলে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে। যার দায়দায়িত্ব সম্পূর্ণ সরকারকেই নিতে হবে।
ফারুক বলেন, ৩৬ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও ইলিয়াস আলীর কোনো সন্ধান মেলেনি। সরকার একেক সময়ে একেক কথা বলে। কেবিনেট মিটিংয়ে এক কথা বাইরে বেরিয়ে আরেক কথা। অক্ষরে অক্ষরে এসবের বিচার করা হবে বলে ফারুক হুঁশিয়ার করে দেন। তিনি বলেন, সরকার স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি বলেন, এতগুলো শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকে অন্যায় ও অযৌক্তিকভাবে কারাগারে প্রেরণ করেছে তারা। কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিৎ, গণজোয়ার কখনোই পুলিশ দিয়ে থামানো যায় না।
দুদক ও বিচার বিভাগকে দলীয়করণের অভিযোগের পুনরুক্তি করে তিনি বলেন, এই সরকারের অত্যাচার আর চোখ মেলে দেখতে চাই না। তাদের যদি লজ্জা থাকতো, গণতন্ত্রের প্রতি সম্মান থাকতো, এতদিনে পদত্যাগ করতো।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-সভাপতি সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফা ও সাংগঠনিক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা এমপি, সাবেক এমপি নেয়াজ হালেমা, সাবেক নূরুল কবীর শাহীন প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময় : ১২৩০ ঘণ্টা, ২৩ মে, ২০১২
সম্পাদনা : আহ্সান কবীর, আউটপুট এডিটর