 |
| ছবি- শোয়েব মিথূন |
খুলনা: এভাবে তোপের মুখে পড়তে হবে জানা থাকলে হয়তো খেলোয়াড় পরিচিতি অনুষ্ঠানই করতো না খুলনা রয়েল বেঙ্গলস। তোপ দাগালেন স্থানীয় সাংবাদিকরাই। খুলনা জনপদের ক্ষোভের বহি:প্রকাশ হলো তাদের মধ্যদিয়ে।
সাংবাদিকরা একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে নার্ভাস করে তোলেন খুলনা রয়েল বেঙ্গলসের মালিকপক্ষের কর্মকর্তাদের। প্রশ্নগুলো যেকারো কাছে যৌক্তিকই মনে হবে, খুলনার নাম ব্যবহার করেও কেন খুলনার তারকা খেলোয়াড় নেওয়া হয়নি? জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড়ও কেন নেই? এত দুর্বল দল কেন বানিয়েছে ওরিয়ন গ্রুপ? খুলনার মানুষকে কেন উপেক্ষা করা হচ্ছে? স্থানীয় সংগঠকদের কী সম্পৃক্ত করা যেতো না? এতদিন পরে কেন একটা র্যালি হবে?
প্রশ্নবানে জর্জরিত হয়ে পড়েন স্টেডিয়ামে থাকা খুলনার রয়েল বেঙ্গলসের কর্মকর্তারা। অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফীসকেও কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। বেশিরভাগ প্রশ্নের ভুল উত্তর দিয়ে গেলেন খেলোয়াড় পরিচিতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ওরিয়ন গ্রুপের কর্পোরেট ম্যানেজার আশরাফুল আলম।
দেশের তারকা ক্রিকেটার না নেওয়ার পেছনে তিনি যুক্ত দেখালেন,‘আইসিসির নিয়ম করে দিয়েছে, নিলাম মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে কোন খেলোয়াড় নেওয়া যাবে না। অন্য দলগুলো নিয়মের বাইরে গিয়ে খেলোয়াড় নিয়েছে!
আসলে খেলোয়াড় নিলামে মূল্য নির্ধারণে আইসিসির কোন সম্পৃক্ততা নেই। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল এবং গেম অন স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট নিয়ম করে দিয়েছে নিলাম মূল্যে একজন খেলোয়াড়কে একাধিক দল পেতে চাইলে সে ক্ষেত্রে সমঝোতার ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি সম্মানি দিতে রাজি থাকা দল পাবে ওই খেলোয়াড়কে।
অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফীস তো চোটে গিয়ে বলেই ফেললেন,‘ক্রিকেট মাঠে চেহারা দেখে খেলা হয় না। কে কত সুন্দর সেটা দেখে দল করা হয়নি। চেহারা যেমনই হোক মাঠের পারফরমেন্সই আসল। আমি মনে করি আমাদের দল ভালো হয়েছে। যদিও প্রথম দুটি ম্যাচ হেরেছি। কিন্তু খুলনার মানুষের দোয়া থাকলে আমরা পরের ম্যাচই জিততে চাই। আশা করি আমরা সেটা পারবো।’
একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়। উপায়ান্তর না দেখে শেষে পরিচিতি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন খুলনার কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩১ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২২, ২০১৩
এসএ/এএইচবি