 |
| ছবি: নাজমুল হাসান / বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
সুপ্রিম কোর্ট থেকে: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতাদের জামিনের জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠনে সম্মত হননি প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন।
সোমবার বিকেলে প্রধান বিচারপতির খাস কামরা বের হয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের জামিনের জন্য নিয়মিত বেঞ্চে আবেদন করতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি।’
এর আগে বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মির্জা ফখরুলের জামিনের জন্য বিশেষ বেঞ্চ গঠনের আবেদন নিয়ে প্রধান বিচারপতির কার্যালয়ে আসেন বিএনপির আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতির খাস কামরায় ব্যারিস্টার মওদুদের সঙ্গে ছিলেন- খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
এসময় সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, সাবেক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রমুখ।
ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমরা আজ বিকাল ৩টায় শাহবাগ ও তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার এফআইআর হাতে পেয়েছি। এরপর শীর্ষ নেতাদের জামিনের জন্য আবেদন প্রস্তুত করছি। তারপর আমরা প্রধান বিচারপতির কাছে গেলাম। নেতাদের জামিনের জন্য আজকে রাতে বা আগামীকাল যেন একটা বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়। কারণ আগামীকাল মে দিবসের বন্ধ। এছাড়াও যে সব নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তাদের সবার বাসায় তল্লাশি করা হচ্ছে। তাদের হয়রানি করা হচ্ছে। সুতরাং তাদের জামিনের ব্যবস্থা করা হোক। কিন্তু প্রধান বিচারপতি এতে সম্মত হননি।’
মওদুদ আহমদ বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি আমাদের বলেছেন নিয়মিত বেঞ্চে আবেদন করতে। আমরা এর আগে দেখেছি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে এভাবে অনেককে জামিন দেওয়া হয়েছে। ইনকিলাব সম্পাদক বাহাউদ্দিনকে রাত সাড়ে এগারোটায় জামিন দেওয়ার নজির রয়েছে। আমরাও এ রকম জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের আবেদন নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু আমাদের সে আশা পূরণ হয়নি।’
মওদুদ আহমদ আরো বলেন, ‘সরকার আমাদের ভয় পেয়েছে। আমাদের আন্দোলন এখন রাজপথ ও আদালতে অব্যাহত থাকবে।’
বস্তুত রোববারের হরতালে ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মির্জা ফখরুলসহ ১৮ দলীয় জোট নেতাদের নামে রোববার রাত ও সোমবার সকালে দু’টি মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের বাসায় বাসায় পুলিশ তল্লাসী শুরু করলে খালেদা জিয়া মওদুদকে ডেকে ফখুলের আগাম জামিন চাওয়ার পরামর্শ দেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৭২৩ ঘণ্টা, এপ্রিল ৩০, ২০১২
সম্পাদনা: জাকারিয়া মন্ডল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর
জুয়েল মাজহার, কনসালট্যান্ট এডিটর