ঢাকা: সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে রফতানির পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। সমাপ্ত অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৬৫০ কোটি ডলার। এর বিপরীতে রফতানি আয় হয়েছে ২ হাজার ৪৪১ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। এটা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ কম। অন্যদিকে এর আগের অর্থবছরের (২০১০-১১) তুলনায় রফতানি আয় বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ‘২০১২-১৩ অর্থবছরের জাতীয় রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ’ সংক্রান্ত এক সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় ইপিবি জানায়, সমাপ্ত অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই ১১-মে ১২) বিদেশে অবস্থিত দেশের ৪৪টি মিশনের মধ্যে ২১টি মিশন তাদের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে, বাকি ২৩টি মিশন পারেনি।
সমাপ্ত অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “গত অর্থবছরে ইউরোপ ও আমেরিকায় বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও মন্দার কারণে পোশাক শিল্প খাতে আশানুরূপ রফতানি না হওয়ায় রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তবে এবার তারা বিপর্যয় অনেকটা কাটিয়ে উঠেছে।”
ইপিবি জানায়, গত অর্থবছরে কৃষিজাত পণ্য, পেট্রোলিয়াম উপজাত, প্লাস্টিক সামগ্রী, চামড়া, চামড়াজাত পণ্য, বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল, হ্যান্ডিক্রাফট, ওভেন গামেন্টস, উহগস্, ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাক্টস্ ও অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য রফতানিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।
তবে কাঠ ও কাঠজাত পণ্য, টুপি, কার্পেট, গ্লাসওয়্যার, কটন ও কটন পণ্য, প্রিন্টেড সামগ্রী, স্টেপল ফাইবার, স্পেশালাইজড টেক্সটাইল, পাট ও পাটজাত পণ্য গত বছরের তুলনায় রফতানি আয় কমেছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৬ ঘণ্টা, জুলাই ০৫, ২০১২
এসআর/সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর