 |
শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের ছোট গল্প ‘স্বামী’ অবলম্বনে দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে কলকাতার নির্মাতা পার্থ সেন তৈরি করেছেন নতুন ধারাবাহিক ‘স্বামী’। এ নাটকে প্রধান চরিত্র ‘নরেন’ এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সাব্বির আহমেদ। আর সাব্বিরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রেয়স্রী সামান্তা। তার চরিত্রের নাম সৌদামিনী।
বাংলাদেশের চ্যানেল আই ও কলকাতার রূপসী বাংলা চ্যানেলের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে এ নাটক। ২৫ পর্বের এ ধারাবাহিকটির নাট্যরূপ দিয়েছেন শুভ্র নীল।
গত ২৭ আগস্ট থেকে ইতিমধ্যে কলকাতার টিভি চ্যানেল রূপসী বাংলায় নাটকটির প্রচার শুরু হয়। প্রতি সোম থেকে শুক্র বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে নাটকটি দর্শকরা দেখতে পাবেন। আর আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে চ্যানেল আইয়ে এ নাটকটির প্রচার শুরু হবে।
জুলাই ৮ থেকে কলকাতার বরাইপুর ও রাজা রামমোহনের বাড়ি ‘আজকাল’ এ নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়। নাটকের গল্পে দেখা যাবে, নরেন জমিদার বাড়ির ছেলে। তিনি কলকাতা শহরে পড়াশুনা করেন। হঠাৎ মার অসুস্থতার খবর শুনে মাকে দেখতে বাড়িতে আসেন। বাসায় এসে প্রথমে চোখে পড়ে বাসার বাগানের দিকে। সেখানে সৌদামিনী ফুল তুলছে। প্রথম দেখায় সৌদামিনীকে ভালোলাগে নরেনের। এদিকে সৌদামিনী মামার বাসায় থাকে। মামা সারাক্ষণ দেশি-বিদেশি লেখকদের বই পড়েন। একসময় মামার জন্য কলকাতা থেকে বই কিনে আনেন নরেন। মামার সাথে কথা বলার ছলে সৌদামিনীকে দেখতে যায়। সৌদামিনীও নরেনকে পছন্দ করেন। এরইমধ্যে পড়াশোনার জন্য কলকাতা যেতে হয় নরেনকে। সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন নরেন। চিঠি লেখেন সৌদামিনীকে। কিন্তু সেই চিঠি গিয়ে পৌঁছে না তার কাছে। চিঠি পান সৌদামিনীর পাশের বাসার মাসি। কিন্তু তিনি কোনো চিঠি সৌদামিনীকে দেন না। এ ফলে দুজনের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এভাবে নাটকের গল্পটি এগুতে থাকে।
এ নাটকে অনান্যা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার মনোজ ওঝা, নীতিশ, কল্যাণী, রজত গাঙ্গুলী, অর্ন ব্যানার্জী এবং বাংলাদেশের নাজনীন, জেবুন্নেসা, ওয়ালিদ, কামরুল হাসান প্রমুখ।
‘স্বামী’ নাটকটি নিয়ে বাংলানিউজকে সাব্বির আহমেদ বলেন, “একজন অভিনেতা হিসেবে এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা কাজ। কলকাতার অনেক নামীদামি অভিনয়শিল্পীদের সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছে আমার। আর এ নাটকটি নিয়ে আমি অনেক আশাবাদী। আশা করি আমার অভিনয় ও নাটকটি দর্শকদের ভীষণ ভালো লাগবে।”
বাংলাদেশ সময়: ১৫২৭ ঘণ্টা, আগস্ট ২৯, ২০১২
সম্পাদনা: বিপুল হাসান, বিভাগীয় সম্পাদক; আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর