 |
| ছবি: নাজমুল হাসান/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম |
ঢাকা: ‘দেশে তো মানুষই নেই, একজন ছিল, সেও চলে গেল’। সদ্য প্রয়াত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এমন মন্তব্যই করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রোববার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে তিনি রাজধানীর পল্লবীতে হুমায়ূনের মায়ের বাসায় পৌঁছান। এরপর দীর্ঘক্ষণ তিনি সেখানে অবস্থান করেন এবং আয়েশা ফয়েজকে সমবেদনা জানান।
এ সময় ড. ইউনূস আক্ষেপ করে বলেন, “দেশে তো মানুষই নেই. একজন ছিল, সেও চলে গেল। এই দেশে যে উনি কিভাবে জন্মেছিলেন, তা বোঝা খুবই কঠিন।”
ইউনূস বলেন, “হুমায়ূন আহমেদ কখন যে আমাদের ভেতরে ঢুকে গেছেন আমরা জানতে পারিনি। শিক্ষিত মানুষ তার বই পড়ে তাকে ভালোবেসেছে আর সাধারণ মানুষ তার নাটক-সিনেমা দেখে তাকে ভালোবেসেছে।”
হুমায়ূন প্রসঙ্গে কথা বলতে বলতে ইউনূসের চোখে পানি চলে আসে।
ড. ইউনূস বলেন, “তার (হুমায়ূন) ভেতরে অসাধারণ জাদু ছিল। সেই জাদুতে তিনি মানুষকে উতলা করে রেখেছিলেন। হুমায়ূন মারা যাওয়ার পর আমার মেয়েও অনেক কান্নাকাটি করেছে।”
এ সময় ইউনূসের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী আফরোজি ইউনূস ও মেয়ে দিনা এবং কম্পিউটার জগৎ পত্রিকার সম্পাদক ভুঁইয়া ইনাম লেনিন।
উপস্থিত ছিলেন হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই কার্টুনিস্ট ও উন্মাদ পত্রিকার সম্পাদক আহসান হাবীব, তার স্ত্রী আফরোজা আমিন ও মেয়ে এষা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হুমায়ূনদের তিন বোন- সুফিয়া হায়দার শেফু, মমতাজ শহীদ শিখু ও রোকসানা আহমেদ মনি।
কিছু সময় পর সেখানে নুহাশ এলে ইউনূস তাকে বুকে জড়িয়ে ধরেন এবং শান্ত্বনা দেন। প্রায় এক ঘণ্টা তিনি সেখানে অবস্থান করেন।
উল্লেখ্য, চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কে মারা যান হুমায়ূন আহমেদ। জনপ্রিয় এ সাহিত্যিকের বয়স হয়েছিলো ৬৪ বছর।
বাংলাদেশ সময়: ১৬০০ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১২
সম্পাদনা: আহমেদ জুয়েল, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর