ঢাকা: মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ৩’শ জন কর্মী নিয়ে প্রথম ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে আগামী ২৭শে মার্চ। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য জানা গেছে। পর্যায়ক্রমে অন্য শ্রমিকেরা দেশটিতে যাবেন।
এর আগে বুধবার মালয়েশিয়ার ১৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসে। সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে যৌথ বৈঠক করতে বুধবার রাত ৮টায় মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে ঢাকায় পৌঁছে দলটি।
বৃহস্পতিবার দলটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করে। এই বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২৭ মার্চ প্রথম ফ্লাইট ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে।
মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে দিয়েছেন দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল (পলিসি ও ইন্টারন্যাশনাল) মোহাম্মদ সাহার বিন দারুসমান।
শ্রমন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ খান এর সঙ্গে দেশটির শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জেফরি জোয়াকিন, তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি ইসহাক লেবেই ওমর, ব্যাবস্থাপনা বিভাগের মুখ্য সচিব আতিয়া আজরিনা আমিরুলদিন, প্লান্টেনেশন মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি রাজালি আব মালিকসহ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা এই দলে আছেন।
উল্লেখ্য, সরকারি পর্যায়ে মালয়েশিয়ার যাওয়ার জন্য প্রথম ধাপে নির্বাচিত হয়েছেন ১১ হাজার ৭৫৮ জন। এর মধ্যে ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
নির্বাচিতদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের ৭৬২ জন, খুলনা বিভাগে ১হাজার ২৭৯ জন, সিলেট বিভাগের ৮৭৩ জন, ঢাকা বিভাগে ৩হাজার ৬৪৬জন, রাজশাহী বিভাগে ১হাজার ৫৫১জন, চট্রগ্রাম বিভাগে ২হাজার ২৮৭ জন ও রংপুর বিভাগের ১ হাজার ৩৬১ জন কর্মী রয়েছেন। তবে সারাদেশের ৬টি ইউনিয়ন থেকে কোনো নিবন্ধন করা হয়নি।
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী শ্রমিকদের সম্পর্কে নানা অভিযোগ ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নিয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে ২০০৭ সালে মালয়েশিয়া সরকার অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক আমদানি বন্ধ করে দেয়। এই ১০ হাজার শ্রমিকের মাধ্যমে তা পুনরায় চালু হলো। গত বছরের নভেম্বরে দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তিসই হয়েছিল।
বাংলাদেশ সময়: ২০৫৫ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৪, ২০১৩
জেপি/এমআইএস/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর