 |
ঢাকা: বৈরী আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন কমে যাওয়ায় চলতি বছরের জুলাইয়ে বিশ্বে খাদ্য মূল্য বেড়েছে। এর ফলে ২০০৭-২০০৮ সালে খাদ্যাভাবে সারা বিশ্বে অতিদরিদ্ররা যে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল তার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন (এফএও) গত বুধবার এ তথ্য দিয়েছে।
ব্রাজিলে অসময়ে অতিবৃষ্টি, যুক্তরাষ্ট্রে খরা এবং রাশিয়ায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় খাদ্যপণ্য সরবরাহ কমে গেছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ব ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে এফএও।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে জানা যাচ্ছে, টানা তিন মাস খাদ্য মূল্য কমতে থাকার পর চলতি বছরের জুলাইয়ে বিশ্বে খাদ্য মূল্য হঠাৎ করে বেড়ে গেছে ৬ শতাংশ।
প্রতি মাসে খাদ্য পণ্যের মূল্যের ওপর এফএও’র পরিচালিত জরিপে এ চিত্র উঠে এসেছে।
খাদ্যশস্য, তেলবীজ, দুধ, মাংস এবং চিনির ওপর তারা এ জরিপটি চালায়। তবে, ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারির চেয়ে জুলাইয়ের মূল্য সূচকের অবস্থান নিচেই ছিল।
রোমভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি আগামী আগস্টে এ সূচকের বিস্তারিত প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে।
এফএও’র জরিপে দেখা গেছে, চলতি বছরের মে’র তুলনায় জুলাইয়ে খাদ্যশস্যের মূল্য বেড়েছে ১৭ শতাংশ আর চিনির মূল্য বেড়েছে ১২ শতাংশ।
বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম আখ উৎপাদনকারী দেশ ব্রাজিলে অসময়ে বন্যার কারণে উৎপাদন কমে হওয়ায় চিনির দামে এ প্রভাব পড়েছে।
এছাড়া, ভারতে দেরীতে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব পড়ায় এবং অস্ট্রেলিয়ায় খরার কারণে ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ায় বিশ্বে খাদ্য মূল্যে বিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে উল্লেখ করেছে এফএও।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০০ ঘণ্টা, আগস্ট ০৯, ২০১২
সম্পাদনা: জনি সাহা ও জাহাঙ্গীর আলম, নিউজরুম এডিটর