৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০, বুধবার মে ২২, ২০১৩ ১২:১১ পিএম BDST banglanew24
23 Jan 2013   07:50:52 PM   Wednesday BdST
E-mail this

ফিল্মি বাহাস

সিনেমা ফিল্ম মেকারের ব্যক্তিত্বের অনুবাদ: ফারুকী


গোলাম রাব্বানী, বিভাগীয় প্রধান বিনোদন
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
সিনেমা ফিল্ম মেকারের ব্যক্তিত্বের অনুবাদ: ফারুকী ফিল্মি বাহাস
ছবি :কাশেম হারুন/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সকালের নাস্তা শেষ করে বনানীর নিজ বাসার অতিথিরুমে আসলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। একটার পর একটা ফোন আসছে। সব আলোচনা আর  ফোন আসছে তার নতুন চলচ্চিত্র ‘টেলিভিশন’কে কেন্দ্র করে। একটা সময় ফোনটা সাইলেন্ট করে রেখে বললেন ‘চল ভাই শুরু করি। ছবি মুক্তি দেওয়া আর কন্যার বিয়ে দেওয়া একই বিষয়। মাথা ঠিক নাই সারাক্ষণ শুধু কথা বলছি। গলা ব্যাথা করছে।’

আপনার বাসায় আসার পর এ রুমটাতে বসার পর রানা নামে একজন আমার হাতে একটা রিমোট ধরিয়ে দিয়ে বললেন ‘টেলিভিশন’ দেখেন। এই টেলিভিশন তো এখন আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে দাড়িয়েছে। এবং সেই ‘টেলিভিশন’ নাম দিয়ে আপনি একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন। যা ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পাবে। এই ‘টেলিভিশন’ সম্পর্কে জানতে চাই...এরকম একটি নাম কেন?

এই ছবিতে টেলিভিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। এই টেলিভিশন যন্ত্রটা আমার ছবির গল্পটাকে নানা দিকে প্রভাবিত করে। রঙ্গরস তৈরি করে। নানাবিধ জটিলতা তৈরি করে এই টেলিভিশন। ফলে এই নির্বাক বস্তুটি এই বোকাবাক্সটি আমার সিনেমায় অনেক চালাকের ভূমিকায় অভিনয় করেছে।

আরেকটি কারণ, আমি এছবিতে একটা জিনিস স্টাডি করার চেষ্টা করেছি। আমরা তো দুইটা দুনিয়ায় বাস করে। বাস্তবের দুনিয়া আর একটা হচ্ছে কল্পনার দুনিয়া। কোনটা বেশি শক্তিশালি কল্পনার দুনিয়া না বাস্তবের দুনিয়া। মাঝে মধ্যে কি কল্পনার দুনিয়া বাস্তবের দুনিয়াকে ছাপিয়ে যায় কিনা। টেলিভিশনতো দুই রকমের হয়। একটি টিভি চোখ খোলা রেখে দেখা যায়। আর একটা টিভি চোখ বন্ধ রেখে দেখা যায়। চোখ বন্ধ করে দেখা টেলিভিশনটা চোখ খোলা রেখে দেখার টেলিভিশন থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে কিনা। ইহাই হচ্ছে নাম করণের সার্থকতা...

এত দুইটা কারণ পেলাম। এখন কথা হচ্ছে আমরা আপনার প্রথম ছবি ‘ব্যাচলর’ এ দেখি এ শহরের তরুণ যুবকদের নাগরিক জীবন। তারপর ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ এ আমরা দেখি রাজনৈতিক স্যাটেয়ারের গল্প। আর ‘থার্ড পার্সন সিংগুলার নাম্বার’ এ দেখি আরবান নর-নারীর সম্পর্কের দিদ্বা দন্ধর জটিলার গল্প। এখন আপনি আপনার ‘টেলিভিশন’ এ কোন গল্পটা দেখাতে চেয়েছেন?

গল্পটা একটা গ্রামের। এবং এ গ্রামটা একটা কাল্পনিক গ্রাম। যেটা চারদিকে পানি দিয়ে ঘেরা। চারদিকে পানি দিয়ে ঘিরেছি কেন? কারণ আমি চেয়েছি এরকম একটি গ্রাম যেখানে এখনো আধুনিকতা পৌঁছায়নি। রাস্তা থাকলে কিন্তু আধুনিকতা সহজেই পৌঁছে যায়। রাস্তা থাকলে তিব্বত বল সাবানের গাড়ির সঙ্গে আধুনিকতাও চলে যায় বা সেভিং ক্রিমের গাড়ির সঙ্গেও আধুনিকতা চলে যায়। আধুনিকতা যেখানে পৌঁছাতে পারে না সেখানেও কিভাবে বাতাসে ভেসে ভেসে আধুনিকতা চলে যায় তা আমরা স্টাডি করার চেষ্টা করেছি। গল্পটার সঙ্গে আমার সঙ্গে আমার বাবার যে প্রেমময় দন্ধের সম্পর্ক।

আমার বাবা হচ্ছে আমার জীবনে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মানুষ সবচেয়ে সৎ মানুষ। এবং সবচেয়ে আদর্শবাদী মানুষ। যেটা বিশ্বাস করে সেটা করতে জীবন দিয়ে দিতে পারে। এই যে তাকে আমি এত ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি তারপরেও তো তার সঙ্গে আমার কিছু দর্শনের দূরত্ব আছে। সে কিছু কিছু জিনিস বিশ্বাস করে ভালো, আমি হয়তো বিশ্বাস করি সেটা ভালো না। আবার সে যেটা বিশ্বাস করে ভালো, আমি হয়তো বিশ্বাস করি ভালো না। এই যে দুইটা সময়ের দূরত্ব। একটা ক্রিটিক্যাল মোমেন্টে এসে দুইটা সময় দুইটা সময়কে মিট করছে। এই ক্রিটিক্যাল মোমেন্টটা কি? আমার বাবা তার টাইপরাইটার সময় থেকে এসে হঠাৎ করে সে ইন্টারনেটের মুখোমুখি পড়েছে। এই যে অদ্ভুত সময়ের মুখে সে পড়লো। এবং আমরা ইন্টারনেটের যুগে থাইকা যে তাকে মোকাবেলা করছি।

আমি গল্পটা চেষ্টা করছি একটা হিউমারাস টোনে বলতে। এই দুই অদ্ভুত সময় যখন মুখোমুখি হয় তখন একটি রঙ্গরসের তৈরি হয়। রঙ্গরস হয়, দন্ধ হয়, ড্রামা হয়। এবং শেষ পর্যন্ত খুবই আবেগময় একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। কারণ আমরা তো শেষ পর্যন্ত আমাদের বাবাকে ভালোবাসি। এবং আমার বাবাও আমাকে ভালোবাসে।

এবং দুই সময় মিলে একে অপরের জন্য কাঁদে। শেষ পর্যন্ত আমি বলতে চাই পরিবর্তন আসন্ন। পরিবর্তনের গান হাওয়ায় ভেসে ভেসে আসবে। কিন্তু পরিবর্তন মানেই পুরনোকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া নয়। তারাও নতুন থেকে কিছু গ্রহণ করে আমিও পুরাতন থেকে কিছু গ্রহণ করি। শেষ পর্যন্ত তো আমাদের গল্পটা মানুষের সম্পর্কের গল্প।

এরই মধ্যে আপনার ছবিটা বেশ কিছু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করেছে। প্রশংসিত হয়েছে। কয়েক জায়গায় সম্মানিতও হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল এদেশের দর্শকে এ ছবিটা কতটা নাড়াতে পারবে বা মাতাতে পারবে?

প্রথমে একটা কথা বলি। আমাদের এখানে একটা মিথ আছে যে, বাইরের উৎসবে যে ছবিগুলো যায় সেগুলো হয় মেন্দামারা ছবি।কিন্তু রিয়ালিটি ভুল। ফেস্টিভ্যালে মেন্দামারা যায়, আগুনলাগাযায়, কমেডি, অ্যাকশন ছবিও যায়। ফেস্টিভ্যালে কোন বিশেষ ধরণের ছবি যায় না। আমাদের এখানে সবাই মনে করে ফেস্টিভ্যালে যায় ক্ষুদা, দারিদ্রতা, ধর্ম, রাজনীতি বিষয়ের ছবি যায়। এটা ভুল ধারণা। এবার আসি আমার ছবির প্রসঙ্গে । নিজের ছবির প্রসঙ্গে নিজের মুখে বেশী কিছু বললে অশালীনশোনায়। অন্যদের মুখে বলি-দ্যা হলিউড রিপোর্টার এ আমার ছবি নিয়ে প্রশংসা করে অনেক কথা লিখেছে। তবে একটা জায়গায় লিখেছে , এই ছবি দক্ষিণ এশীয় নিরস ছবির বাতিক থেকে মুক্ত।এই ছবি ট্টিপিক্যাল দারিদ্র দুঃখ বেদনা, বন্যা, সমাজের অদ্ভুত আচার-এসব বিক্রি করতে চায়নি ।এই ছবিতে পরিচালক ইউনিক ভঙ্গিতে গল্পটা বলতে চেয়েছেন।

দ্বিতীয় কথা যেটা বলতে চাই, আমি সবসময় বলি একটা ফিল্ম হচ্ছে পরিচালকের অনুবাদ। একটা কবিতা হচ্ছে কবির ব্যক্তিত্বের অনুবাদ। সিনেমা ফিল্মমেকারের ব্যক্তিত্বের অনুবাদ।গুন`দার কবিতা আর আল মাহমুদের কবিতার মধ্যে পার্থক্য তাদের ব্যক্তিত্বের পার্থক্য । কাজেই আমার ব্যক্তিত্বে যা আছে তাতো আমার সিনেমায় অনুবাদ হবেই।

আমি অনেক চেষ্টা করেও একটা নিরস ছবি বানাতে পারবো বলে মনে হয়না। আমার ধারণা আমার চরিত্রে খুবই শক্তভাবে হিউমার আছে যেটা আমি আমার বাবার কাছ থেকে পেয়েছি। আমার চরিত্রে ইমোশনাল ব্যপার আছে বলেও মনে হয় যেটা আমার বাবা মা দুজনের কাছ থেকেই এসেছে। আমার ছবিতে মাঝে মধ্যে কিছুটা পোয়েটিকশেপ পায় বলে কেউ কেউ বলে। এটা মনে হয় এসেছে ছোট বেলায় বিনয় মজুমদার এবং জীবনানন্দ- ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণ । আমার চরিত্রের এই তিনটা দিক যদি আমার ছবিতে ঠিক ঠাক অনুদিত হয় তাহলে দর্শকদের ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই। আমার বিশ্বাস তা হয়েছে। তবে এটুকু বলতে পারি তারা যদি মনযোগ দিয়ে দুই ঘণ্টা ছবিটা দেখে, আনন্দ পাবে। তারা আমার সিনেমারন তুন ভঙ্গি দেখবে।

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ছবি প্রসঙ্গে আবার ফিরে আসি । আমাদের এখানে এক ধরণের প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরে দেখছি আমরা। আন্তর্জাতিক যে সকল উৎসবে আমাদের দেশের ছবি যাচ্ছে তার কোনটা হয়তো আমাদের ধর্ম নিয়ে, কোনটা আমাদের রাজনীতি, কোনটা দারিদ্রতা, পরিবেশকে কেন্দ্র করে ছবি বানিয়ে তা বিক্রি করা হয়। আপনি এই প্রবণতার বিষয়টা কিভাবে দেখেন...

পৃথিবীর সব দেশেরই সিনেমায় ঐ দেশের মানুষের জীবনের ভাল মন্দ নানা দিক দেখানো হয়। ঐ দেশের সমাজ  ব্যবস্থার ক্রিটিকাল স্টাডি করা হয়। ফিল্মমেকাররা তো আর পর্যটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর না। যে শুধু একটা দেশের সুন্দরের গল্প করবে। সাহিত্যিক, কবি বা ফিল্মমেকাররা এ দায়িত্ব নেয় নাই। তাদের দায়িত্ব হচ্ছে জীবনের সাদা কালো ভালো মন্দ সবদিকটা দেখানো। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, ইস্যু কত ভারি তার উপর ফেস্টিভ্যালে ছবি সিলেক্ট হওয়া নির্ভর করে না। তাহলে আমার মেড ইন বাংলাদেশের কোন ফেস্টিভ্যালে সাফল্য নাই কেন? আমাদের ওস্তাদ তারেক মাসুদের মাটির ময়নার চেয়ে রানওয়ে ইস্যু হিসাবে অনেক ভারী। কিন্তু মাটির ময়নার ফেস্টিভ্যাল সাফল্য দেখুন কত উপরে। আমার মনে হয় আমাদের এটা বোঝার সময় এসেছে যে মেজর ফেস্টিভ্যালে সিলেক্টেড হতে হলে ছবিটা ছবির গুনে চলতে হয়, ইস্যুর গুনে না। আর আমি ভাই ঐ সব প্রপাগান্ডা ছবিতে বিশ্বাস করিনা। এবং আমি পশ্চিমা অক্ষশক্তির বিচিত্র সব ‘হেইট থিউরি’র সাবস্ক্রাইবার-ও না। আশা করি আমার ছবি দেখলে এটা বোঝা যাবে।

আপনি বা আপনার সমসাময়িক অনেকেই টেলিভিশনে নাটক বানানোর মাধ্যমে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু আপনি একটি সময় পার করার পর আর টেলিভিশন নাটক বানাচ্ছেন না। কিন্তু ছোট পর্দার টেলিভিশন নিয়ে এখন আপনি বড় পর্দায় হাজির হচ্ছেন...

হ্যাঁ, এ বিষয়ে আমি দর্শকদের বলতে চাই এতদিন আপনারা ঘরে বসে টেলিভিশন দেখেছেন এবার সিনেমা হলে গিয়ে টেলিভিশন দেখবেন।
 
আমাদের এখানে ফিল্ম  ইন্ড্রাস্ট্রি অনেক বড় হবার কথা ছিল। কিন্তু তা না হয়ে টেলিভিশন মিডিয়া অনেক বেশি বড় হয়ে পড়েছে। এটা কি ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি এই বেহাল দশার কারণেই হয়েছে?

অস্বাস্থ্যকর ভাবে মোটা হয়েছে আদের টিভি মিডিয়া। ছয়টার বেশি টেলিভিশন চ্যানেল আমাদের দরকার ছিল না। একটা রাজনৈতিক ইচ্ছা থেকে এই এতগুলো চ্যানেল হয়েছে। যারাই সরকারে এসেছে তারাই মনে করেছে দশটা করে আমাদের চ্যানেল থাকা উচিত। তারা তো বাজারের কথা ভাবেনি। তারা ভাবেননি আমাদের বিজ্ঞাপনের বাজারটা কত বড়। এতগুলো চ্যানেল হওয়াতে বিজ্ঞাপনের রেট কমে গেছে।

আর রেট কমাতে চ্যানেলগুলো অনুষ্ঠান বানাতে টাকা কম দেয়। এতে করে অনুষ্ঠানের মান কমছে। আপনারা অবশেষে বলছেন যে, হিন্দি চ্যানেলের চেয়ে আমাদের দেশের অনুষ্ঠানের মান খারাপ হচ্ছে। হিন্দি চ্যানেল কয় টাকা দিয়ে অনুষ্ঠান বানায় আর আমরা কয়টাকা দিয়ে অনুষ্ঠান বানাই?  প্রশ্নটা থাকলো। আর কিছু বলতে চাই না।  

আবার আপনার ‘টেলিভিশন’ প্রসঙ্গে ফিরে আসি। মোশাররফ, চঞ্চল, তিশা এবং শাহির হুদা রুমি আপনার সিনেমার প্রধান চারটি চরিত্র। আপনার গল্পের চরিত্র অনুযায়ি তারা কি ঠিক ঠাক অভিনয় করেছেন?

আমার বাবার মত চরিত্রর জন্য রুমি ভাই ছাড়া আর কাউকে পাই না। এখন রুমি ভাইকে আমার তৈরি করতে হয়েছে। কারণ আমার বাবার জীবন-যাপন থেকে রুমি ভাইয়ের জীবন-যাপন পুরোই উল্টা। তার ছেলের ভূমিকায় আমি একটা সরল চেহারা খুঁজতে ছিলাম। পেয়ে গেলাম চঞ্চল চৌধুরীকে। সে দারুণ অভিনয় করেছে। আর চঞ্চলের সহকারির চরিত্রে আমার খুব চালাক একটি ছেলে দরকার। সে অসৎ না কিন্তু সে খুবই অবদমিত। এখন এ চরিত্র মোশাররফ ছাড়া আর কে পারবে? সুতরাং গেলাম মোশাররফের কাছে। তাকে তৈরি করা হল।

একই ঘটনা তিশার ক্ষেত্রে। সে শহরের মেয়ে তাকে গ্রামের মেয়ে হিসেবে তৈরি করতে হয়েছে। নাক ফুটা করা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই করতে হয়েছে তাকে। এ ছবিতে এদের সবাইকে নতুন ভাবে দেখা যাবে। তারা খুবই পরিশ্রম করেছে। এবং এর ফলাফল দর্শক হলে গিয়ে দেখতে পাবে।

[মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গে ফিল্মি বাহাস আরো কিছুক্ষণ চলতে থাকে। দীর্ঘ বাহাস থেকে চুম্বক অংশ এখানে দেওয়া হল। বাহাসের সব কথা প্রকাশও করা যায় না। কিছু কথা থাক না...]

বাংলাদেশ সময় : ১৯৪০ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৩, ২০১৩
জিআর

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Bookmark and Share
REVE Systems
VISA Center Inc
Holy Hajj BD
RehabHousing.com

বিনোদন

8877
Kaspersky Lab - Antivirus Software [ Bangladesh ]
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম | এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪০২১৮১, ৮৪০২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০-৯৬১২১২০০০০ নিউজ রুম সেল: +৮৮-০১৭২৯০৭৬৯৯৬, ০১৭২৯০৭৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪০ ২৩৪৬
ইমেইল: news.bn24@gmail.com, editor.banglanews@gmail.com, editor@banglanews24.com    বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম    এডিটর-ইন-চিফ: আলমগীর হোসেন

বাংলায় লেখা হলে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে ইমেইল করুন    কপিরাইট © 2013 সকল স্বত্ব ® সংরক্ষিত    একটি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড প্রতিষ্ঠান